ধর্ষণ প্রতিরোধে আইনের কঠোর বাস্তবায়ন চাই

ধর্ষণ সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল-২০০০’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। গত মঙ্গলবার মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বিলটি সংসদে পাসের প্রস্তাব করেন। কণ্ঠভোটে উক্ত বিল পাস হয়।

সংসদে পাস হওয়ার আগে গত ১৩ অক্টোবর মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করেন। অর্থাৎ ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে মৃত্যুদন্ডের বিধান কার্যকর হয়েছে এক মাসেরও বেশি সময় আগে। সর্বোচ্চ সাজার বিধান করা হলে দেশে ধর্ষণ কমবে বলে আশা করা হয়েছিল। ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদন্ড করার দাবিতে দেশে সম্প্রতি আন্দোলনও হয়েছে। সরকার দ্রুততার সঙ্গে সেই দাবি মেনে নিয়েছে। তবে কঠোর সাজার বিধান করা হলেও ধর্ষণ কমেনি। বরং ধর্ষণ বেড়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইন কঠোর হলেই যে অপরাধ কমবে বা বন্ধ হবে সেটার কোন নিশ্চয়তা নেই। অবশ্য আইনমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন আগামীতে নতুন আইনের সুফল মিলবে।

কঠোর আইন আর আশাবাদ কোন অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য যথেষ্ট নয় বলে আমরা মনে করি। আইন প্রণয়নের চেয়ে এর কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি। দেশে ধর্ষণের বিচার চেয়ে যত মামলা হয় তার মধ্য খুব কম সংখ্যকই নিষ্পত্তি হয়। হাজারো মামলা বছরের পর বছর ঝুলে থাকে। সংবাদ-এর এক প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে। রংপুরের তিনটি আদালতে এক হাজার মামলা ১২ থেকে ১৭ বছর ঝুলে আছে। মামলা নিষ্পত্তি না হলে আইন কঠোর করে লাভ হবে না। জরুরি হচ্ছে দ্রুততার সঙ্গে বিচার নিশ্চিত করা। আশার কথা হচ্ছে দেশে ধর্ষণের দ্রুত বিচারের নতুন নতুন রেকর্ড হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় তিন কার্যদিবসে ধর্ষণের বিচার করা হয়েছে। এর আগে বাগেরহাটে ৭ কার্যদিবসে ধর্ষণের বিচার করা হয়েছে। দ্রুত বিচার বাড়লে আগামীতে কঠোর আইনের সুফল মিলতে পারে। এজন্য আদালত, আইনজীবী, পুলিশ সবাইকে আন্তরিক হয়ে কাজ করতে হবে।

ধর্ষণ কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করতে হলে দেশে নারী-পুরুষ ক্ষমতায় ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নারীর আর্থ-সামাজিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটানো না গেলে নির্যাতন-ধর্ষণ, নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সরকারকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। উগ্র ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি।

বন্যহাতি নিধন বন্ধ করুন

কক্সবাজারে মানুষের নির্মমতায় একের পর এক মারা যাচ্ছে বন্যহাতি।

সরকারি কেনাকাটায় অনিয়ম দূর করুন

সরকারি কেনাকাটায় কিছুতেই দুর্নীতি থামানো যাচ্ছে না। সুযোগ পেলেই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, অধিদপ্তরের কেনাকাটার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা দুর্নীতি করছেন পণ্য কেনাকাটায়।

স্বাস্থ্যবিধির কঠোর প্রয়োগ চাই

দেশে করোনা শনাক্তের আট মাস পেরোলেও এখনও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করুন

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই যশোরের কেশবপুর উপজেলার শ্রীরামপুরে ফসলি জমিতে দুটি ইটভাটায় অবৈধভাবে ইট উৎপাদন ও বেঁচাকেনার কাজ চলছে।

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রসঙ্গে

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার নানা রকম চাপের কারণে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। কক্সবাজারের বিভিন্ন পাহাড়ে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নাগরিকরা নানা রকম অপরাধে জড়াচ্ছে।

মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ সুরাহা করুন

এক শ্রেণীর মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র রোগীকে মাদকমুক্ত করার পরিবর্তে উল্টো মাদক ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা কার্যক্রম মনিটরিং করতে হবে

অনিয়মের বেসরকারি হাসপাতাল পুষছেন সরকারি ডাক্তাররা। সরকারি চাকরি করছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় কোন না কোন সরকারি হাসপাতাল কিংবা মেডিকেল কলেজে।

অভিনন্দন সাদাত

আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের কিশোর সাদাত রহমান। সাইবার বুলিং ও সাইবার অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে ‘শিশুদের নোবেল’ খ্যাত এ পুরস্কার জিতে নেয় নড়াইলের ১৭ বছরের এই কিশোর।

সুষ্ঠু তদন্ত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিন

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ১০টি বাসে আগুন দেয়া হয়েছে। এসব ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছেন বলে জানা যায়নি।