প্রতিমা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের বিচার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন

ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। উভয় স্থানেই মঙ্গলবার রাতে প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়। ফরিদপুরে প্রতিমা ভাঙার অভিযোগে পুলিশ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে। নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট থানার ওসি গণমাধ্যমকে বলেছেন, প্রতিমা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। প্রতিমা ভাঙার ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এর আগে গত ৫ অক্টোবর পটুয়াখালীতে প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে।

দেশে প্রতিমা ভাঙচুরের অপসংস্কৃতি চালু রয়েছে। প্রতি বছরই হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসবের আগে প্রতিমা ভাঙা হয়। প্রতিমা ভাঙার ঘটনার কোন বিচার আজ পর্যন্ত হয়েছে কিনা সেটা গবেষণার বিষয়।

প্রতিমা হামলার ঘটনায় কখনও কাউকে গ্রেফতার করা হলেও আইনের ফাঁক গলে তারা বেরিয়ে যায়। অপরাধীদের সাজা নিশ্চিত করা যায় না। এ কারণে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ প্রায় ক্ষেত্রেই প্রতিমা ভাঙার আইনি প্রতিকার চান না। আর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রায় সময়ই হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকে। নিরুপায় হিন্দু সম্প্রদায় নিজ দায়িত্বেই পালা করে রাত জেগে প্রতিমা রক্ষা করেন।

দেশে সাম্প্রদায়িক একটি গোষ্ঠী বরাবরই সক্রিয় রয়েছে। প্রতিমা ভেঙে বা গুজব ছড়িয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালিয়ে তারা হীন স্বার্থ চরিতার্থ করে। এ গোষ্ঠী হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানের সম্প্রীতিতে ফাটল ধরাতে চায়। মসজিদ-মন্দির-গির্জা-প্যাগোডার সহাবস্থানের পথে তারা কাঁটা বিছাতে চায়। তাদের এ সাম্প্রদায়িক অপতৎপরতার বিরুদ্ধে দেশের অসাম্প্রদায়িক মানুষ বরাবরই সচেতন। তবে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ যতটা সরব, বড় রাজনৈতিক দলগুলো ততটাই নীরব। বড় সব রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধেই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীগুলোকে কাছে টানার অভিযোগ রয়েছে। বড় রাজনৈতিক দলগুলোর হতাশাজনক অবস্থানের কারনেই দেশ থেকে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে নির্মূল করা যাচ্ছে না। আশা করা গিয়েছিল স্বাধীনতার যুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশে সাম্প্রদায়িকতার অবসান হবে। তবে পঁচাত্তর পরবর্তী সরকারগুলোর রহস্যজনক ভূমিকার কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। বর্তমান ক্ষমতাসীন দল নিজেদের অসাম্প্রদায়িক বলে দাবি করে। বাস্তবতা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকার আমলে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে। দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হচ্ছে, এসব ঘটনার কোনটিরই বিচার হয়নি। আমরা অসাম্প্রদায়িক দেশ চাই। প্রতিমা ভাঙচুরের বিচার চাই। যে বা যারা প্রতিমা ভাঙচুর করেছে তাদের আইনি বিচার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। দেশে সব সম্প্রদায়ের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার জন্য এটা অত্যন্ত জরুরি।

বন্যহাতি নিধন বন্ধ করুন

কক্সবাজারে মানুষের নির্মমতায় একের পর এক মারা যাচ্ছে বন্যহাতি।

ধর্ষণ প্রতিরোধে আইনের কঠোর বাস্তবায়ন চাই

ধর্ষণ সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল-২০০০’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

সরকারি কেনাকাটায় অনিয়ম দূর করুন

সরকারি কেনাকাটায় কিছুতেই দুর্নীতি থামানো যাচ্ছে না। সুযোগ পেলেই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, অধিদপ্তরের কেনাকাটার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা দুর্নীতি করছেন পণ্য কেনাকাটায়।

স্বাস্থ্যবিধির কঠোর প্রয়োগ চাই

দেশে করোনা শনাক্তের আট মাস পেরোলেও এখনও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করুন

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই যশোরের কেশবপুর উপজেলার শ্রীরামপুরে ফসলি জমিতে দুটি ইটভাটায় অবৈধভাবে ইট উৎপাদন ও বেঁচাকেনার কাজ চলছে।

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রসঙ্গে

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার নানা রকম চাপের কারণে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। কক্সবাজারের বিভিন্ন পাহাড়ে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নাগরিকরা নানা রকম অপরাধে জড়াচ্ছে।

মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ সুরাহা করুন

এক শ্রেণীর মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র রোগীকে মাদকমুক্ত করার পরিবর্তে উল্টো মাদক ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা কার্যক্রম মনিটরিং করতে হবে

অনিয়মের বেসরকারি হাসপাতাল পুষছেন সরকারি ডাক্তাররা। সরকারি চাকরি করছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় কোন না কোন সরকারি হাসপাতাল কিংবা মেডিকেল কলেজে।

অভিনন্দন সাদাত

আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের কিশোর সাদাত রহমান। সাইবার বুলিং ও সাইবার অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে ‘শিশুদের নোবেল’ খ্যাত এ পুরস্কার জিতে নেয় নড়াইলের ১৭ বছরের এই কিশোর।