বায়ুদূষণ রোধে কার্যকর উদ্যোগ নিন

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউট এবং ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশনের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়াকে বায়ুর দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত অঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ভারতের শতভাগ জনগোষ্ঠী এমন অঞ্চলে বাস করে, যেখানকার বাতাসের মান ডব্লিউএইচও এয়ার কোয়ালিটি গাইডলাইনে থাকা পিএম ২.৫ স্তরের চাইতেও বেশি। পিএম ২.৫ বা দূষণকারী সূক্ষ্ম বস্তুকণার মধ্যে জৈব ও অজৈব কণা-ধুলোবালি, পরাগ রেণু, কালো ধোঁয়া, ধোঁয়া ও ড্রপলেটের উপস্থিতি থাকে। নবজাতকের ওপর বায়ুদূষণের বৈশ্বিক প্রভাব নিয়ে এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাড়ির বাইরে ও ভেতরকার ক্ষুদ্র বস্তুকণার কারণে জন্মের প্রথম মাসে বিশ্বে প্রায় ৫ লাখ শিশুর মৃত্যু হয়। এক গবেষক জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ২০১৯ সালে সর্বোচ্চ আউটডোর পিএম ২.৫ স্তরে থাকা শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে রয়েছে। বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশে ২০১৯ সালে প্রাণ হারিয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০ মানুষ।

দক্ষিণ এশিয়ায় বায়ুদূষণের খবরটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটি আরও শঙ্কার এজন্য যে, বায়ুদূষণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। স্টেট অফ গ্লোবাল এয়ারের প্রতিবেদনটি মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, বায়ুদূষণ শুধু একটি পরিবেশগত সমস্যা নয়, এটি জনস্বাস্থ্যেরও একটি বড় সমস্যা। এর ফলে দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগসহ অন্যান্য অসুস্থতা বাড়তে পারে। প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে যে, বায়ুদূষণ ও কোভিড-১৯ এর মধ্যে যোগসূত্রগুলো এখনও জানা যায়নি। তবে, বায়ুদূষণ, হার্ট ও ফুসফুসের রোগগুলোর মধ্যে সংযোগের স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। সন্দেহ নেই, এর ফলে মৃত্যুঝুঁকিও বাড়বে। তবে ভালো খবর হলো, এখন সবাই জানে কীভাবে দূষণের সব প্রধান উৎসগুলোকে বিবেচনা করতে হয়। এই তথ্যগুলো পরিষ্কারভাবে দেখাচ্ছে যে, দূষিত বাতাস মোকাবিলায় দ্রুত ও কার্যকরী ব্যবস্থা জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য যত দ্রুত সম্ভব কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। বাতাসের মানের উন্নতি করতে ব্যর্থ হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে। দেশে বায়ুদূষণের প্রধান উৎসগুলো হলো গৃহস্থালির জ্বালানি, নির্মাণকাজের ধুলোবালি, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ইটের উৎপাদন, পরিবহন ও ডিজেলচালিত সরঞ্জাম। এসব উৎস থেকে বিপুল পরিমাণ বিষাক্ত ক্ষতিকারক গ্যাস, ভারী ধাতব কণা ও ধুলাবালি বাতাসে মিশে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে অচিরেই দূষণের উৎসসমূহ বন্ধ করতে হবে। বায়ুদূষণের সব উৎস বন্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। বায়ু দূষণে জড়িত দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। প্রতিটি কাজে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে।

সনাতন পদ্ধতির ইটভাটাগুলোকে জ্বালানি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব ইটভাটায় রূপান্তর করা গেলে অনেকাংশে বায়ুদূষণ কমানো সম্ভব। সড়কে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করতে হবে। সড়ক মহাসড়ক নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। নির্মাণকাজ চলাকালে আশেপাশে পানি ছিটাতে হবে, নির্মাণ সামগ্রী ঢেকে রাখতে হবে। বায়ুদূষণ রোধে পরিবেশ অধিদপ্তরকে নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা এবং তা নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত করতে হবে।

বন্যহাতি নিধন বন্ধ করুন

কক্সবাজারে মানুষের নির্মমতায় একের পর এক মারা যাচ্ছে বন্যহাতি।

ধর্ষণ প্রতিরোধে আইনের কঠোর বাস্তবায়ন চাই

ধর্ষণ সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল-২০০০’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

সরকারি কেনাকাটায় অনিয়ম দূর করুন

সরকারি কেনাকাটায় কিছুতেই দুর্নীতি থামানো যাচ্ছে না। সুযোগ পেলেই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, অধিদপ্তরের কেনাকাটার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা দুর্নীতি করছেন পণ্য কেনাকাটায়।

স্বাস্থ্যবিধির কঠোর প্রয়োগ চাই

দেশে করোনা শনাক্তের আট মাস পেরোলেও এখনও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করুন

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই যশোরের কেশবপুর উপজেলার শ্রীরামপুরে ফসলি জমিতে দুটি ইটভাটায় অবৈধভাবে ইট উৎপাদন ও বেঁচাকেনার কাজ চলছে।

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রসঙ্গে

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার নানা রকম চাপের কারণে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। কক্সবাজারের বিভিন্ন পাহাড়ে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নাগরিকরা নানা রকম অপরাধে জড়াচ্ছে।

মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ সুরাহা করুন

এক শ্রেণীর মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র রোগীকে মাদকমুক্ত করার পরিবর্তে উল্টো মাদক ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা কার্যক্রম মনিটরিং করতে হবে

অনিয়মের বেসরকারি হাসপাতাল পুষছেন সরকারি ডাক্তাররা। সরকারি চাকরি করছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় কোন না কোন সরকারি হাসপাতাল কিংবা মেডিকেল কলেজে।

অভিনন্দন সাদাত

আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের কিশোর সাদাত রহমান। সাইবার বুলিং ও সাইবার অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে ‘শিশুদের নোবেল’ খ্যাত এ পুরস্কার জিতে নেয় নড়াইলের ১৭ বছরের এই কিশোর।