পণ্যবাহী নৌযান ধর্মঘট

মালিক-শ্রমিককে আলোচনায় বসতে হবে

এগারো দফা দাবিতে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করছেন নৌযান শ্রমিককরা। তারা বলছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে। তাদের দাবিগুলো হচ্ছে- নৌযান শ্রমিকদের পরিচয়পত্র, নিয়োগপত্র এবং সার্ভিসবুক দেয়া, শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নৌপথে চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ করা, শ্রমিক নির্যাতন বন্ধ করা, প্রভিডেন্ড ফান্ড চালু করা, জাহাজে কর্মরত অবস্থায় কোন শ্রমিক মারা গেলে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়া প্রভৃতি। এদিকে তাদের দাবিকে অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে মালিকরা পাল্টা ছয় দফা দাবি তুলে ধরেছেন। ধর্মঘটের কারণে নৌপথে পণ্য পরিবহন বিঘ্নিত হচ্ছে। এ নিয়ে গণমাধ্যমগুলো বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

ধর্মঘটে যাওয়ার আগে নৌ পরিবহন শ্রমিকরা তাদের দাবিদাওয়া তুলে ধরে আলটিমেটাম দিয়েছিলেন। মালিকদের সঙ্গে তারা আলোচনাও করতে চেয়েছেন। কিন্তু মালিকরা অংশ না নেয়ায় বিআইডব্লিউটিএতে আয়োজিত আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি। তাদের দাবি পূরণের কোন নিশ্চয়তা মেলেনি। ধর্মঘট কর্মসূচি দেয়ায় যে তাদের দাবি পূরণের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে সেটাও বলা যাবে না। বরং মালিকরা পাল্টা দাবিদাওয়া তুলে ধরেছেন। মালিকরা ধর্মঘটের কোন যুক্তি খুঁজে পাচ্ছেন না। এর পেছনে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন মালিকরা। শ্রমিকরা তাদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার হলেই তার মধ্যে মালিকরা ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুঁজে পান। নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র চাওয়া বা ভবিষ্যতের যৌক্তিক সুবিধাদির কথা বলার মধ্যে অন্যায় কিছু নেই। ধর্মঘটে কার কী লাভ বা ক্ষতি সেটা ভিন্ন বিতর্ক। আমরা শুধু জানতে চাইব যে, মালিকরা বছরের পর বছর যৌক্তিক দাবি-দাওয়া উপেক্ষা করলে শ্রমিকরা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আর কী পদক্ষেপ নিতে পারেন। শ্রমিকদের ধর্মঘটের পথে বেছে নেয়ার পেছনে মালিকদের উদাসীনতা-অবহেলারও দায় রয়েছে।

শ্রমিকদের দাবিদাওয়ার পেছনে ষড়যন্ত্র না খুঁজে তার যৌক্তিকতা মালিকদের অনুধাবন করতে হবে। মালিকদের সবার সামর্থ্য হয়তো সমান নয়। তবে নৌযান শ্রমিকদের অনেক দাবিই আর্থিক সামর্থ্য না থাকলেও পূরণ করা যায়। পরিচয়পত্র, নিয়োগপত্র দেয়ার জন্য সদিচ্ছা থাকাই যথেষ্ট। নৌপথে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি মালিক-শ্রমিক উভয়েরই। এ বিষয়ে দু’পক্ষ এক হয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে। শ্রমিকদের অন্যান্য যৌক্তিক দাবি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। উভয়পক্ষকেই ইতিবাচক সমঝোতাপূর্ণ মনোভাব রেখে আলোচনা করতে হবে।

পণ্য পরিবহনে নৌপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মঘটের কারণে পণ্য পরিবহন বিঘিœত হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত এর খেসারত দিতে হবে সাধারণ মানুষকে। কাজেই ধর্মঘটের যত দ্রুত অবসান হবে ততই সেটা সবার জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে।

বন্যহাতি নিধন বন্ধ করুন

কক্সবাজারে মানুষের নির্মমতায় একের পর এক মারা যাচ্ছে বন্যহাতি।

ধর্ষণ প্রতিরোধে আইনের কঠোর বাস্তবায়ন চাই

ধর্ষণ সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল-২০০০’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

সরকারি কেনাকাটায় অনিয়ম দূর করুন

সরকারি কেনাকাটায় কিছুতেই দুর্নীতি থামানো যাচ্ছে না। সুযোগ পেলেই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, অধিদপ্তরের কেনাকাটার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা দুর্নীতি করছেন পণ্য কেনাকাটায়।

স্বাস্থ্যবিধির কঠোর প্রয়োগ চাই

দেশে করোনা শনাক্তের আট মাস পেরোলেও এখনও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করুন

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই যশোরের কেশবপুর উপজেলার শ্রীরামপুরে ফসলি জমিতে দুটি ইটভাটায় অবৈধভাবে ইট উৎপাদন ও বেঁচাকেনার কাজ চলছে।

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রসঙ্গে

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার নানা রকম চাপের কারণে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। কক্সবাজারের বিভিন্ন পাহাড়ে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নাগরিকরা নানা রকম অপরাধে জড়াচ্ছে।

মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ সুরাহা করুন

এক শ্রেণীর মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র রোগীকে মাদকমুক্ত করার পরিবর্তে উল্টো মাদক ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা কার্যক্রম মনিটরিং করতে হবে

অনিয়মের বেসরকারি হাসপাতাল পুষছেন সরকারি ডাক্তাররা। সরকারি চাকরি করছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় কোন না কোন সরকারি হাসপাতাল কিংবা মেডিকেল কলেজে।

অভিনন্দন সাদাত

আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের কিশোর সাদাত রহমান। সাইবার বুলিং ও সাইবার অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে ‘শিশুদের নোবেল’ খ্যাত এ পুরস্কার জিতে নেয় নড়াইলের ১৭ বছরের এই কিশোর।