রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে চাই কঠোর মনিটরিং

আসন্ন রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। মন্ত্রী বলেন, রমজানের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য মজুদ রয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পর্যাপ্ত ভোগ্যপণ্য আমদানি করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ছোলাসহ রমজানকেন্দ্রিক বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দরও সহনীয় ছিল। তারা আশা করছেন, এবারের রোজায় দাম বাড়বে না।

রোজার বাকি এখনও ৩ সপ্তাহ। দেশে যে অপসংস্কৃতি চালু রয়েছে, তাতে রোজা মানেই ভোগ্যপণ্যের বাড়তি দাম। সাধারণ মানুষের মনে এ কারণে রোজা আশার আগেই আতঙ্ক তৈরি হয়। রোজায় যে পণ্য মূল্য বাড়তে পারে সেই শঙ্কা সরকারের মধ্যেও আছে। শঙ্কা আছে বলেই প্রধানমন্ত্রী দিন কয়েক আগে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, রোজায় দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না। প্রশ্ন হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান বা বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে সুফল মিলবে কিনা।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলছেন, পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ আছে। আমরা বলতে চাই, পণ্য মজুদ করে নিশ্চিন্তে বসে থাকলে চলবে না। মজুদ পণ্যের প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। পণ্য প্রতিবারই পর্যাপ্ত মজুদ থাকে। ব্যবসায়ীরা বাজারের চাহিদা বোঝেন, তারা হিসাব কষেই পণ্য কেনেন। এর সঙ্গে আরও একটা কাজও তারা করেন, সেটা হচ্ছে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা। দেখা যায়, গুদামে পণ্য আছে, বাজারে নেই। পণ্যের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে তারা ভোক্তার পকেট কাটেন। বহু বছর ধরেই তারা এ অনৈতিক কাজ করে আসছেন। অতীতে তাদের আহ্বান জানিয়েও এ অনৈতিক চর্চা থেকে বিরত রাখা যায়নি। এজন্য জরুরি হচ্ছে, নিয়মিত জোরদার তদারকি করা। যেসব ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করবেন তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে তাদের লাইসেন্স বাতিল করতে হবে।

পণ্যমূল্য বৃদ্ধির আরও কিছু কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, চাঁদাবাজি। অভিযোগ রয়েছে, পণ্য পরিবহনের পথে বিভিন্ন স্তরে চাঁদা আদায় করা হয়। যার জের শেষ পর্যন্ত টানতে হয় ভোক্তাকে। পুলিশ, বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন, ক্ষমতাসীন দলের একশ্রেণীর নেতাকর্মী এ চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত। পণ্যমূল্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে হলে সরকারকে কঠোর হাতে চাঁদাবাজি দমন করতে হবে। দুর্বল অবকাঠামোর কারণেও পণ্য পরিবহন ব্যয় বেড়ে যায়। আসন্ন রোজা ও ঈদ সামনে রেখে জরুরিভিত্তিতে সড়ক সংস্কার করতে হবে।

ভোক্তা সাধারণ যদি রমজানে প্রকৃত সংযম প্রদর্শন করতে পারেন তাহলে পণ্যমূল্য কমবে বৈ বাড়বে না। বাস্তবতা হচ্ছে, রোজার মাসে দেশের সিংহভাগ মানুষের ভোগ ব্যয় অনেক বেড়ে যায়। এটা রোজার ধারণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। রোজা মানে এই নয় যে, দিনের একটি অংশ না খেয়ে থাকব আর রাতে পেট পূজা করব। মানুষকে এ অপসংস্কৃতি ত্যাগ করতে হবে।

দৈনিক সংবাদ : ১৭ এপ্রিল ২০১৯, বুধবার, ৬ এর পাতায় প্রকাশিত

সমাজ ও ব্যক্তির জন্য সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ সংকট

দেশে সংস্কৃতিচর্চার সুযোগ দিন দিন কমছে। সরকারি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে পেশাদারি, জবাবদিহি ও আন্তরিকতার অভাব। সংস্কৃতি

দেশের বাঁধগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে সংস্কারের লক্ষ্যে মনিটরিং করুন

ঘূর্ণিঝড় ফণী বাংলাদেশ অতিক্রম করে গেছে। ভারতের ওড়িশা উপকূলে আঘাত হানার পর পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ঘূর্ণিঝড়।

পরিবহন সেক্টরকে মাফিয়ামুক্ত করুন

সাত দফা দাবিতে পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটে গত সোমবার দিনভর দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত

জঙ্গিবাদের হুমকি মোকাবিলায় ঐক্য গড়ে তুলুন

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে হামলার পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার

গণধর্ষণ মামলার চার্জশিট প্রশ্নবিদ্ধ পুলিশের ভূমিকা

সুবর্ণচরে গণধর্ষণের শিকার নারীর অভিযোগ ছিল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের পছন্দের প্রতীকে ভোট দেয়ায় তার ওপর নির্যাতন হয়েছে

বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত করতে হবে

চাহিদার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও বিদ্যুৎ বিভাগ মানসম্মত বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারায়

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রিসাইক্লিংয়ে পরিকল্পিত ও স্থায়ী উদ্যোগ নিন

ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে ইলেকট্রনিক বা ই-বর্জ্যরে পরিমাণও। এসব ই-বর্জ্যরে দূষণ থেকে প্রাণ ও প্রকৃতিকে রক্ষা

বর্ষার আগেই ঢাকাডুবি কেন নগর কর্তৃপক্ষ কী করছে

চৈত্র মাসেই বৃষ্টির পানি জমে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকার বেশিরভাগ এলাকার রাস্তা

পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে হবে

ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার মামলায় স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভিকটিমের স্বজনরা।