রেলের তেল চুরি বন্ধ করুন

কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না রেলের তেল চুরি। একটি জাতীয় দৈনিকের খবরে জানা যায়, রেলে বছরে প্রায় ১০০ কোটি টাকার তেল চুরি হচ্ছে। লোকোশেড ছাড়াও পাওয়ার কার, ডিপো ও ট্রেন ইঞ্জিন থেকেই তেল চুরির ঘটনা ঘটছে। তেল চুরির সঙ্গে স্টেশনমাস্টার, ডিপো ইনচার্জ, গার্ড, ট্রেনচালক ছাড়াও সক্রিয় একাধিক সিন্ডিকেট জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। মাঝে মধ্যে রেল নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) ছাড়াও র?্যাব তেল উদ্ধার ও চোরদের মালামালসহ গ্রেফতার করলেও বন্ধ হয়নি চোর সিন্ডিকেটের তৎপরতা। বিশেষ করে রেলের পাকশী ডিভিশনের অন্তত ১০টি স্টেশনে নিয়মিতভাবে পাওয়ার কার ও ইঞ্জিন থেকে তেল চুরি হচ্ছে।

রেলের তেল চুরির খবরটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দীর্ঘদিন ধরেই এ অপকর্ম চলছে। এর মাধ্যমে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে। অথচ অনিয়ম বন্ধে কোনরকম ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

এটা স্পষ্ট যে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদাসীনতা ও অবহেলার কারণেই তেল চুরি ও পাচার ঠেকানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। জ্বালানি ব্যবহারের বিষয়ে রেলের সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা নেই। নির্দিষ্টসংখ্যক বগি নিয়ে একটি ট্রেন চললে কী পরিমাণ তেল খরচ হয়, সেটার একটা হিসাব ধরে যুগের পর যুগ চলছে। মৌখিক এ হিসাবকে পুঁজি করে চোর চক্রের সঙ্গে দুর্নীতিবাজ কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে চুরি হচ্ছে তেল।

রেলের নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালিয়ে পাচার ও চুরি হওয়া তেলসহ হাতেনাতে চোর ধরতে পারলেও চুরি সিন্ডিকেটে জড়িত কোন ব্যক্তিকে কেন গ্রেফতার করতে পারে না-সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। তেল চুরির সিন্ডিকেটের সঙ্গে কারা জড়িত, কেন তাদের শনাক্ত করা হচ্ছে না, কেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয় না- এসব প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজতে হবে। এক্ষেত্রে কারও কোন গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তেল চুরির হোতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর সাজা নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনরকম ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই।

তেলের হিসাব নেয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক এবং দায়িত্বশীল হতে হবে। লোকোশেড থেকে কবে কখন কত লিটার তেল নেয়া হলো, কোন লোকোতে কত লিটার তেল ভরা হলো, এসব হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে করতে হবে। তথ্য যেমন ডিজিটালাইজ হতে হবে, তেমনি প্রত্যেক লোকোতে জিপিএস ফুয়েল ট্র্যাকার সংযোজন করতে হবে। তাহলে লোকোশেড থেকে কত লিটার তেল ভরা হলো ইঞ্জিনে, লোকোর ফুয়েল ট্যাংকে কত লিটার গেল, তা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে মিলিয়ে নেয়া যাবে।

বন্যহাতি নিধন বন্ধ করুন

কক্সবাজারে মানুষের নির্মমতায় একের পর এক মারা যাচ্ছে বন্যহাতি।

ধর্ষণ প্রতিরোধে আইনের কঠোর বাস্তবায়ন চাই

ধর্ষণ সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল-২০০০’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

সরকারি কেনাকাটায় অনিয়ম দূর করুন

সরকারি কেনাকাটায় কিছুতেই দুর্নীতি থামানো যাচ্ছে না। সুযোগ পেলেই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, অধিদপ্তরের কেনাকাটার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা দুর্নীতি করছেন পণ্য কেনাকাটায়।

স্বাস্থ্যবিধির কঠোর প্রয়োগ চাই

দেশে করোনা শনাক্তের আট মাস পেরোলেও এখনও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করুন

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই যশোরের কেশবপুর উপজেলার শ্রীরামপুরে ফসলি জমিতে দুটি ইটভাটায় অবৈধভাবে ইট উৎপাদন ও বেঁচাকেনার কাজ চলছে।

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রসঙ্গে

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার নানা রকম চাপের কারণে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। কক্সবাজারের বিভিন্ন পাহাড়ে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নাগরিকরা নানা রকম অপরাধে জড়াচ্ছে।

মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ সুরাহা করুন

এক শ্রেণীর মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র রোগীকে মাদকমুক্ত করার পরিবর্তে উল্টো মাদক ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা কার্যক্রম মনিটরিং করতে হবে

অনিয়মের বেসরকারি হাসপাতাল পুষছেন সরকারি ডাক্তাররা। সরকারি চাকরি করছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় কোন না কোন সরকারি হাসপাতাল কিংবা মেডিকেল কলেজে।

অভিনন্দন সাদাত

আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের কিশোর সাদাত রহমান। সাইবার বুলিং ও সাইবার অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে ‘শিশুদের নোবেল’ খ্যাত এ পুরস্কার জিতে নেয় নড়াইলের ১৭ বছরের এই কিশোর।