সব থানায় অনলাইনে জিডির সুযোগ রাখতে হবে

করোনাকালে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবা দিতে যেখানে অনলাইনকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে, ডিএমপি সেখানে ব্যতিক্রম। একটি জাতীয় দৈনিকের খবরে জানা যায়, ডিএমপির ৫০টি থানার মধ্যে ৪৭টিতেই অনলাইন সেবা চালু নেই। অনলাইনে জিডির বিষয়ে সরকারি ওয়েবসাইটে একটি নোটিস ঝুলছে ঠিকই। সেখানে লাল অক্ষরে লেখা-ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সূত্রাপুর, কলাবাগান ও ক্যান্টনমেন্ট থানায় অনলাইনে জিডি সেবা চালু আছে। অর্থাৎ এর বাইরের থানাগুলোয় জিডি করতে হলে সরাসরি গিয়ে করতে হবে।

করোনার এই ঝুঁকির মধ্যে শুধু রাজধানী নয়, দেশের প্রতিটি থানায় সব ধরনের জিডির সুযোগ অনলাইনে থাকা জরুরি। অনলাইনে জিডি করার সুযোগ থাকলে কোন ব্যক্তিকে করোনার ঝুঁকি নিয়ে থানায় যেতে হতো না। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলো, শুধু তিনটি থানা ছাড়া রাজধানীর আর কোন থানায় অনলাইনে জিডির সুযোগ নেই। যে তিনটি থানায় এ কার্যক্রম চলছে সেখানেও সব ধরনের জিডির সুযোগ নেই। কেবল হারানো (সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্টসহ অন্যান্য) ও প্রাপ্তি সংবাদবিষয়ক জিডি করা হচ্ছে।

প্রশ্ন হলো, আদালত যেখানে অনলাইনে কাজ করছে, তাহলে থানায় কেন অনলাইনে জিডি নেয়া যাচ্ছে না? অভিযোগ রয়েছে, অনলাইন জিডিতে কোন বাড়তি আয়ের সুযোগ না থাকায় অনলাইন জিডিতে পুলিশের আগ্রহ কম। বিষয়টি অবশ্যই তদন্তের দাবি রাখে। তদন্তে যদি কারও গাফিলতি কিংবা অসদাচরণ প্রমাণিত হয় তবে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

অনলাইন জিডির সুযোগ সীমিত রাখার প্রসঙ্গে পুলিশের ভাষ্য হল, ডিএমপির বিভিন্ন থানায় অনলাইনে প্রচুর ভুয়া জিডি হচ্ছিল। অনলাইন জিডিতে নাম-ঠিকানা ভুল দেয়া হচ্ছিল। এসব কারণে সব থানায় অনলাইন জিডির প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। বিষয়টি কোনভাবেই যুক্তিগ্রাহ্য নয়। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ কোন ভুলভ্রান্তি করলে তা পুলিশি তদন্তে খুঁজে বের করা সম্ভব। কাজেই এক্ষেত্রে দায়সারা বক্তব্য সমর্থনের সুযোগ নেই। শুধু হারানো আর প্রাপ্তি নয়, সব ধরনের জিডির সুযোগ অনলাইনে থাকতে হবে। অনলাইন জিডির সুযোগ সহজলভ্য হলে সাইবার অপরাধ অনেকাংশে কমে যাবে। প্রয়োজনে জনস্বার্থে অনলাইনে মামলাও নিতে হবে। অনলাইনে জিডি করতে হলে অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর জিডির কপির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। যাতে কেউ ভুয়া জিডি করতে না পারে। জিডি কার্যক্রমে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা দরকার। এর ফলে হয়রানিমূলক জিডির সংখ্যা হ্রাস পাবে।

বন্যহাতি নিধন বন্ধ করুন

কক্সবাজারে মানুষের নির্মমতায় একের পর এক মারা যাচ্ছে বন্যহাতি।

ধর্ষণ প্রতিরোধে আইনের কঠোর বাস্তবায়ন চাই

ধর্ষণ সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল-২০০০’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

সরকারি কেনাকাটায় অনিয়ম দূর করুন

সরকারি কেনাকাটায় কিছুতেই দুর্নীতি থামানো যাচ্ছে না। সুযোগ পেলেই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, অধিদপ্তরের কেনাকাটার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা দুর্নীতি করছেন পণ্য কেনাকাটায়।

স্বাস্থ্যবিধির কঠোর প্রয়োগ চাই

দেশে করোনা শনাক্তের আট মাস পেরোলেও এখনও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করুন

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই যশোরের কেশবপুর উপজেলার শ্রীরামপুরে ফসলি জমিতে দুটি ইটভাটায় অবৈধভাবে ইট উৎপাদন ও বেঁচাকেনার কাজ চলছে।

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রসঙ্গে

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার নানা রকম চাপের কারণে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। কক্সবাজারের বিভিন্ন পাহাড়ে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নাগরিকরা নানা রকম অপরাধে জড়াচ্ছে।

মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ সুরাহা করুন

এক শ্রেণীর মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র রোগীকে মাদকমুক্ত করার পরিবর্তে উল্টো মাদক ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা কার্যক্রম মনিটরিং করতে হবে

অনিয়মের বেসরকারি হাসপাতাল পুষছেন সরকারি ডাক্তাররা। সরকারি চাকরি করছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় কোন না কোন সরকারি হাসপাতাল কিংবা মেডিকেল কলেজে।

অভিনন্দন সাদাত

আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের কিশোর সাদাত রহমান। সাইবার বুলিং ও সাইবার অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে ‘শিশুদের নোবেল’ খ্যাত এ পুরস্কার জিতে নেয় নড়াইলের ১৭ বছরের এই কিশোর।