সালতা নদী খনন প্রকল্পে দুর্নীতির দায়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে সালতা নদী খনন প্রকল্পে ঠিকদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম নদী, খননে ধীরগতি ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে দুর্নীতি এবং অনিয়ম করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ১৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা ব্যয়ে খুলনার এসকেই (জেডি) ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সালতা নদী খনন ২১ মার্চ ২০১৯ থেকে কাজ শুরু করে। ২৫ জুন ২০২০-এ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রকল্প বাস্তবায়নকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দুই দফায় কাজের মেয়াদ বাড়ালেও এখনও পর্যন্ত নদী খনন শেষ হয়নি।

দেশে নদী ও খাল খননে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়টি বহুল আলোচিত। দুর্নীতিবাজরা অভিনব কায়দায় দুর্নীতি করে পার পাওয়ার চেষ্টা করে থাকে। বস্তুত নদী খননের নামে সরকারি অর্থ লুটপাটের উৎসব চলছে বহু আগে থেকেই। নদীটি খনন না করায় নদীর দু’পাড়ে তিন উপজেলার ২০-২৫টি গ্রামে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। নদী খনন প্রকল্পে যদি অনিয়ম-দুর্নীতি ও লুটপাট হয়, তাহলে প্রকল্প কীভাবে বাস্তবায়ন হবে? অনিয়ম-দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে বহু প্রকল্প ব্যর্থ হয়েছে। যে উদ্দেশ্যে প্রকল্প নেয়া হয়, তা পূরণ করতে পারে না। আমরা জানি, নদ-নদী বা খাল-খনন প্রকল্পসহ যত সরকারি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়, তাতে বরাদ্ধ দেয়া টাকা জনগণের। প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে এভাবে জনগণের টাকার নয়ছয় করা আর কতদিন চলবে?

যে কোন প্রকল্প যথাযথভাবে বাস্তবায়নের সঙ্গে দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির প্রশ্নটি যুক্ত। অথচ দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের দেশে অনেক ক্ষেত্রেই বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ থেকে মুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি পর্যায়েই অস্বচ্ছতা ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এ জন্য যে কোন প্রকল্পর কাজে আর্থিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুষ্ঠু ব্যবস্থানা নিশ্চিত করা সবার আগে দরকার।

আমরা চাই, সালতা নদী খননের কাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটের যে অভিযোগ উঠেছে তার ভিত্তিতে এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটিকে বাদ দিয়ে অন্য কোন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে এই দায়িত্ব দেয়া হোক। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

বন্যহাতি নিধন বন্ধ করুন

কক্সবাজারে মানুষের নির্মমতায় একের পর এক মারা যাচ্ছে বন্যহাতি।

ধর্ষণ প্রতিরোধে আইনের কঠোর বাস্তবায়ন চাই

ধর্ষণ সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল-২০০০’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

সরকারি কেনাকাটায় অনিয়ম দূর করুন

সরকারি কেনাকাটায় কিছুতেই দুর্নীতি থামানো যাচ্ছে না। সুযোগ পেলেই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, অধিদপ্তরের কেনাকাটার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা দুর্নীতি করছেন পণ্য কেনাকাটায়।

স্বাস্থ্যবিধির কঠোর প্রয়োগ চাই

দেশে করোনা শনাক্তের আট মাস পেরোলেও এখনও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করুন

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই যশোরের কেশবপুর উপজেলার শ্রীরামপুরে ফসলি জমিতে দুটি ইটভাটায় অবৈধভাবে ইট উৎপাদন ও বেঁচাকেনার কাজ চলছে।

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রসঙ্গে

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার নানা রকম চাপের কারণে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। কক্সবাজারের বিভিন্ন পাহাড়ে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নাগরিকরা নানা রকম অপরাধে জড়াচ্ছে।

মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ সুরাহা করুন

এক শ্রেণীর মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র রোগীকে মাদকমুক্ত করার পরিবর্তে উল্টো মাদক ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা কার্যক্রম মনিটরিং করতে হবে

অনিয়মের বেসরকারি হাসপাতাল পুষছেন সরকারি ডাক্তাররা। সরকারি চাকরি করছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় কোন না কোন সরকারি হাসপাতাল কিংবা মেডিকেল কলেজে।

অভিনন্দন সাদাত

আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের কিশোর সাদাত রহমান। সাইবার বুলিং ও সাইবার অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে ‘শিশুদের নোবেল’ খ্যাত এ পুরস্কার জিতে নেয় নড়াইলের ১৭ বছরের এই কিশোর।