download

স্বাস্থ্যবিধির কঠোর প্রয়োগ চাই

দেশে করোনা শনাক্তের আট মাস পেরোলেও এখনও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, তিন সপ্তাহ ধরে রোগী শনাক্তের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। ৭১ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২০২ জন কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) রোগী শনাক্ত হয়েছে গত সোমবার। ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুসারে, করোনার সংক্রমণে এশিয়ার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ভারত এবং পঞ্চম স্থানে বাংলাদেশ। দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান আসছে বিভিন্ন মহল থেকে। আসন্ন শীতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়ে দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ায় আশঙ্কা আছে। খুব শিগগির সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসবে এমন লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না।

করোনার সংক্রমণ দিন দিন বাড়ছে। দেশে দীর্ঘদিন ধরে রোগী শনাক্তের হার উচ্চপর্যায়ে রয়েছে। এ কারণে যেসব এলাকায় এখনও সংক্রমণ নিচু পর্যায়ে আছে, সেখানে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। মহামারীর শুরু থেকে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঠিক করেনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সে কারণে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনাও দেখা যায়নি। পরিণতিতে দেশ দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ চক্রে ঢুকে পড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শুরু থেকে রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষা, রোগী শনাক্ত করা, শনাক্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা অন্য ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা (কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং), চিহ্নিত ব্যক্তিদের সঙ্গনিরোধের ব্যবস্থা (কোয়ারেন্টিন) করা, রোগীর চিকিৎসা দেয়া, সংক্রমিত ব্যক্তিকে বিচ্ছিন্ন রাখার (আইসোলেশন) ওপর গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। এই মৌলিক কাজগুলো বাংলাদেশে সুচারুভাবে সম্পন্ন হতে দেখা যায়নি। বিষয়টি দুর্ভাগ্যজনক।

এ মুহূর্তে সবার মাস্ক পরা, স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। কোন কার্যকর ও নিরাপদ টিকা আসার আগ পর্যন্ত এগুলোই করে যেতে হবে। জনস্বাস্থ্যবিদ, সিভিল সার্জন, সাংবাদিকদের নিয়ে এ পর্যন্ত সংক্রমণ পরিস্থিতি-সংক্রান্ত যে কাজ হয়েছে, তার পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন হওয়া দরকার। সেখানে কোন ধরনের ঘাটতি থাকলে তা সমন্বিত প্রচেষ্টায় দূর করতে হবে।

অনেকেই মাস্ক পরছে না, মানছে না স্বাস্থ্যবিধি এমন অবস্থার মধ্যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। জনগণকে সচেতন করে তুলতে হবে। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করতে হবে। প্রয়োজনে জনসাধারণের মধ্যে বিনা মূল্যে মাস্ক সরবরাহ করা যেতে পারে। কারণ শুধু মাস্ক পরলেই নিরাপদ থাকা যাবে। এক্ষেত্রে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অব্যাহত হবে।

আবাদযোগ্য জলাশয়গুলো কচুরিপানামুক্ত করুন

পানি কমে গেলেও পাবনার সুজানগর উপজেলার গাজনার বিলের কৃষকরা চাষাবাদ শুরু করতে পারছেন না।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যবিরোধীদের কাছে নতিস্বীকার করা চলবে না

দেশে কোন ভাস্কর্য তৈরি হলে টেনেহিঁচড়ে ফেলে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের নব্য আমির জুনায়েদ বাবু নগরী।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় চাই সমন্বিত পদক্ষেপ

বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণের উদ্যোগ নিতে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, করোনা মোকাবিলায় গোটা সরকারব্যবস্থাকে যুক্ত করা দরকার।

সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা থাকা জরুরি

প্রায় ১০ কোটি করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন পাওয়ার আশ্বাস মিলেছে। গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস (গ্যাভি) ৬ কোটি ৮০ লাখ ও ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট তিন কোটি টিকা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

তদন্ত করে রহস্য উদ্ঘাটন করুন

আবার আগুন লাগল রাজধানীর কালশীর বাউনিয়াবাদের বস্তিতে। এ নিয়ে গত ১১ মাসে সেখানে দুবার অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটল। কিন্তু এসব অগ্নিকান্ড কেন ঘটছে, তার তদন্ত হচ্ছে না।

গণঅভ্যুত্থান, জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি এবং বিএমএ

image

আদিয়স ‘দিয়োস ভিভো’ ম্যারাডোনা

বিশ্ব ফুটবলের অবিসংবাদিত তারকা আর্জেন্টিনার ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা (৬০) গতকাল বুধবার নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

এসএমই খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ান নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করুন

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো (এসএমই) দেশের কর্মসংস্থানের বড় ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে।

করোনা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিন

আত্মঘাতী হয়ে উঠছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে ব্যবহৃত স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী।