download

রোববার, ১০ জানুয়ারী ২০২১

রিপোর্টারের সাতকাহন

পদ্মার এপার ওপার : নতুন ভাবনা নতুন প্রত্যাশা

সালাম জুবায়ের

পদ্মা সেতুকে সবাই বলছেন বাংলাদেশের স্বপ্নের সেতু। কি কারণে স্বপ্নের সেতু হলো- এ নিয়ে সাধারণ মানুষের কথা জানতে পদ্মা পাড়ে গিয়েছিলাম। ঘুরে দেখলাম দুই পাড়ের জীবন-জীবিকা, এখন কেমন আছে, পদ্মা সেতু চালু হলে কেমন হবে। আর সাধারণ মানুষ কি ভাবছেন, সেসব ভাবনার মধ্যে শুধু কি আনন্দ আর উচ্ছ্বাস, নাকি দুর্ভাবনাও কিছু আছে। পদ্মা পাড়ে দাঁড়িয়ে এমন সব প্রশ্নের উত্তরে পাওয়া যায় দুই ধরনের চেতনা। তবে সবারই অপেক্ষা পদ্মা সেতু তাদের জীবন পাল্টে দেবে, ইতোমধ্যে পাল্টে দিতে শুরু করেছে। প্রতিদিনই পদ্মার দুই পাড়ের মানুষ অনুভব করছেন, ধীরে ধীরে তাদের জীবন পাল্টে যাচ্ছে। এই পাল্টে যাওয়া, নতুন জীবনের স্বাদ পাওয়া ছিল তাদের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পূরণ করবে পদ্মা সেতু। এজন্য তাদের অন্তরজুড়ে পদ্মা সেতু হয়ে উঠেছে স্বপ্নের সেতু।

পদ্মা সেতু যেদিন সব স্প্যান বসানোর পর তার কাঠামোর পূর্ণ অবয়ব পেল সেদিন সে এলাকার মানুষ এবং তাদের সঙ্গে বলা যায় সারাদেশের মানুষ আনন্দে উদ্বেল হয়ে উঠেছিল। যখন পদ্মা সেতু তার পরিকল্পিত যথার্থ রূপ পাবে সেদিন তো আনন্দে আত্মহারা হবে সে সেতুর প্রত্যক্ষ সুবিধাভোগী মানুষ যেমন তেমনি সারাদেশের মানুষ।

এলাকার প্রায় শতভাগ মানুষ মনে করেন পদ্মা সেতু তাদের জীবন-মান অনেক উঁচুতে নিয়ে যাবে। সেই নতুন জীবনের স্বপ্ন এখন তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে তাদের। প্রতিটি মানুষের জীবনের সঙ্গে পদ্মা সেতু যেন নিবিড়ভাবে জড়িয়ে গেছে। সে জন্যই তারা মনে করেন আমাদের জীবনের স্বপ্ন পূরণের সেতু পদ্মা সেতু, সারাদেশের মানুষের স্বপ্নের সেতু পদ্মা সেতু।

আরেকটি কারণে পদ্মা সেতুকে স্বপ্নের সেতু বলা হচ্ছে। তা হচ্ছে পদ্মা সেতু নিয়ে দেশে-বিদেশে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে বলে সে এলাকার রাজনৈতিক এবং সামাজিক নেতারা মনে করেন, বিশ্বাস করেন। তাদের অভিমত; শুরুতে সে ষড়যন্ত্র না হলে পদ্মা সেতু এখন বাস্তবে দেখা যেত এবং তাদের এলাকারই শুধু নয়, পুরো দক্ষিণবঙ্গের উন্নয়নের সেতু হয়ে উঠত। বর্তমান সরকারের বিরোধী একটি রাজনৈতিক দল সব সময়ই পদ্মা সেতু নির্মাণের বিরোধিতা করেছে স্রেফ রাজনৈতিক কারণে। সে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকার সময় পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য কোন উদ্যোগ নেয়নি। বরং বর্তমান সরকারের পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগকে পরিহাস করেছে।

পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের ঋণ হিসেবে অর্থ জোগান দেয়ার কথা ছিল। ঋণ দেয়ার সব আনুষ্ঠানিকতা প্রায় শেষ হওয়ার পর হঠাৎ রহস্যজনক কারণে তারা ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। একপর্যায়ে এ প্রকল্পে দুর্নীতি হচ্ছে সে অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে। তখন অভিযোগ ওঠে, বর্তমান সরকারের মধ্য থেকে যেমন তেমনি বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন, বিশেষ করে পদ্মার দুই পাড়ের বিস্তৃত এলাকার, অন্য অর্থে পুরো দক্ষিণবঙ্গের রাজনীতি সচেতন মানুষ মনে করেন যে, সরকারবিরোধী একটি রাজনৈতিক দল পদ্মা সেতুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে, সে দলের নেতারা বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে এবং ওয়াশিংটনে মার্কিন সরকারের কর্তা ব্যক্তিদের কাছে ধরনা দিয়েছে যাতে আওয়ামী লীগ সরকার পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে বিশ্বব্যাংকের ঋণ না পায়। পদ্মা পাড়ের বিভিন্ন এলাকার রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা কেউ কেউ প্রকাশ্যেই বলেন, পদ্মার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী সে দল হলো বিএনপি। বিএনপির এ উদ্যোগের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল দেশীয় স্বার্থান্বেষী একটি গোষ্ঠী, যার মধ্যে এক নোবেল জয়ীও ছিলেন।

পদ্মা সেতু নির্মাণ করার দাবি দীর্ঘদিন ধরেই পদ্মা পাড়ের মানুষ সব মাধ্যমে জানিয়ে আসছেন। সে এলাকার মানুষ অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন পদ্মার উপর সেতু নির্মাণের দাবিতে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের আগে এ নিয়ে কেউ মাথা ঘামায়নি। বরং উল্টাপাল্টা কথা বলেছে। প্রায় ১৫-১৬ বছর আগে এক অনুষ্ঠানে রিপোর্টার হিসেবে অ্যাসাইনমেন্ট করতে গিয়ে বিএনপি সরকারের এক মন্ত্রীর কথা এখনও মনে আছে। সেই মন্ত্রী ছিলেন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের। তিনি প্রকাশ্য সভায় জোর গলায় বললেন, কোন ব্যক্তির কবর জিয়ারত করতে যাওয়ার জন্য পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রয়োজন নেই। তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন, পদ্মা সেতু নির্মিত হলে দেশের সব এলাকার মানুষ অত্যন্ত সহজে এবং কম সময়ে টুঙ্গিপাড়ায় গিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারত করতে পারবে, বিএনপি সে সুযোগ দিতে চায় না।

এভাবে নানা কারণে, একদিকে সে এলাকায় অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের স্বার্থে পদ্মা সেতুর প্রয়োজনীয়তা এবং অন্যদিকে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর বিরোধিতার কারণে সেতু নির্মাণের বিষয়টি সে এলাকার মানুষের জেদ হিসেবে আবির্ভূত হয়। সে থেকেই এটা তাদের স্বপ্ন হয়ে ওঠে। একইভাবে সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তার সরকারের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাংকের দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় জেদ ধরেন যেভাবেই হোক তার সরকারের আমলেই পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবেই। তিনি ঘোষণা করেন বিশ্বব্যাংকের টাকায় নয়, নিজের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণ করবে বাংলাদেশ। এরপর থেকেই পদ্মা সেতু নির্মাণের বিষয়টি সবার স্বপ্ন হিসেবে আবির্ভূত হয়। পদ্মা সেতু সম্পর্কে দেশের মানুষের মর্জি-মেজাজ অনুধাবন করে সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া প্রতিনিয়তই পদ্মা সেতুকে বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের সেতু হিসেবে উল্লেখ করে সংবাদ প্রচার করতে শুরু করে।

এমন ঘটনার প্রেক্ষাপটে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। নির্মাণ শুরুর পর থেকেই পদ্মা সেতু প্রচার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ খবরের মর্যাদা পাচ্ছে পদ্মা সেতু। সেতুর একেকটি পর্যায় নির্মাণ হওয়ার পরপরই সংবাদপত্রে লিড, দ্বিতীয় লিড নিউজের মর্যাদা পাচ্ছে। মানুষের স্বপ্নের সেতু না হলে সংবাদপত্র এত গুরুত্ব দিত বলে মনে করেন না সাধারণ মানুষ।

পদ্মা সেতুর প্রাথমিক কাঠামো পূর্ণাঙ্গ রূপ পেল গত ১০ ডিসেম্বর। সেদিন দুপুর ১২টা ২ মিনিটে সেতুর কাঠামোর সব স্প্যান বসানো শেষ হয়। এর মধ্যদিয়ে যুক্ত হয় পদ্মার দুই পাড়। শেষ স্প্যানটি পাঠানোর আগে কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে তৈরি হয় আনন্দঘন মুহূর্ত। স্প্যানটি সাজানো হয় বাংলাদেশ ও চীনের পতাকা দিয়ে। স্প্যানের গায়ে বাংলা, ইংরেজি, চাইনিজ ভাষায় লেখা বিশেষ বার্তায় বলা হয়েছে, বহু বছরের প্রচেষ্টায় দেশি-বিদেশি শ্রম শক্তির মাধ্যমে স্বপ্নের পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের পথে। শেষ স্প্যান বসানোর ঐতিহাসিক মুহূর্তটি উদযাপনের বেশ কিছু পরিকল্পনা নিয়েছিল সেতু বিভাগ। কিন্তু করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে সব কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। অনেকটাই অনাড়ম্বরভাবেই স্প্যান তোলার কাজ সম্পন্ন হয়। তবে শেষ স্প্যান বসানোর মধ্যদিয়ে পদ্মার মূল কাঠামো চূড়ান্ত রূপ পাওয়ার এ আনন্দ চেপে রাখতে পারেননি পদ্মার দুই পাড়ের মানুষ। বাঁধভাঙা স্রোতের মতো সবাই জড়ো হন নদীর পাড়ে। সবার চোখে-মুখে ফুটে ওঠে স্বপ্ন পূরণের কাছাকাছি পৌঁছার আনন্দ। ঢোল পিটিয়ে আতশবাজি ফুটিয়ে আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠেন পুরো দক্ষিণাঞ্চলের সব শ্রেণী-পেশার মানুষ। এ থেকেও বোঝা যায় পদ্মা সেতু তাদের মনে কত স্বপ্ন জাগিয়ে তুলেছে।

গত শনিবার গিয়েছিলাম পদ্মার দুই পাড়ে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখতে। পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ পুরো শেষ হতে আরও এক বছর লাগবে। কিন্তু দুই পাড়ের মানুষের জীবনমান এরই মধ্যে পাল্টে যেতে শুরু করেছে। উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে পদ্মার পশ্চিমপাড়ে মুন্সীগঞ্জ জেলার প্রায় সব উপজেলা এবং পশ্চিমপাড়ের জাজিরা উপজেলা থেকে শরীয়তপুর জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। এলাকা ঘুরে এবং লোকজনের সঙ্গে কথা বললে তাদের অন্তরের খুশি এবং উন্নয়ন চিন্তা টের পাওয়া যায়। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এলাকার যারা কিছুটা অবস্থাপন্ন তারা এখন পরিকল্পনা করছেন তাদের নিজ বাড়িঘরে-জমিতে ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপনের। তাদের চিন্তা; পদ্মা সেতু সম্পূর্ণ হয়ে গেলে তাদের এলাকার উৎপাদিত পণ্যসামগ্রী খুব সহজেই এবং কম খরচে বাংলাদেশের যে কোন এলাকায় নিয়ে বাজারজাত করা সম্ভব হবে। তাদের নিজের বাড়িতেই যেহেতু জমি-জায়গা আছে ফলে নামমাত্র খরচে তারা শিল্প স্থাপন করতে পারবেন। আর যেহেতু সড়ক যোগাযোগ অত্যন্ত সহজ হয়ে যাচ্ছে সেহেতু সে এলাকায় শিল্প স্থাপনের জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংগুলোও ঋণ দিতে আগ্রহী হবে। এসব চিন্তা এখন স্থানীয় ধনী লোকদের মাথায় খেলছে। একজন দোকানদার যিনি তার গ্রামে বসে বড় ব্যবসায়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখার চিন্তাও করেননি। তিনি এখন তার বাড়ির পাশের জমিতে মুরগি এবং নিজের পুকুরে হাঁস পালনের পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছেন, এখন কাজ শুরুর অপেক্ষা মাত্র।

তবে এত অনন্দের মধ্যে কিছু লোকের মধ্যে দুঃখবোধও চেপে বসেছে। সে দুঃখ ভিন্নরকম দুঃখ। পদ্মা সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়ার পর পদ্মার দুই পাড়ের প্রায় ২০-২৫ হাজার লোক বেকার হয়ে পড়বেন। এ ব্যাপারে কথা বলে জানতে পারলাম তাদের দুশ্চিন্তার কারণ। গাড়ি পারাপারের আবুল নামের এক ফেরিওয়ালা অনেকটা দুঃখ ভারাক্রান্ত হয়ে জানালেন, আর এক বছর পর আমাকে এখানে আর পাবেন না। কেন- জিজ্ঞেস করতেই তিনি বললেন, দেখছেন না এ নদীতে সেতু হচ্ছে, লোকজন বলাবলি করছে আর এক বছরের মধ্যেই সেতু চালু হয়ে যাবে। তখন তো কোন ফেরি চলবে না, গাড়ি ঢাকা থেকে এসে সোজা সেতু দিয়ে নদী পেরিয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর, বরিশালসহ দক্ষিণের সব জেলায় পৌঁছে যাবে। ফেরি না থাকলে আমার কাছ থেকে চানাচুর, সিদ্ধ ডিম, ঝালমুড়ি কে আর খাবে। আমি চিন্তা করছি, গ্রামে গিয়ে আলুর ক্ষেতে কাজ করব। অনেকে ভাবছেন ঢাকায় গিয়ে হকারি করবেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেল, পদ্মায় প্রায় ৮শ’র মতো স্পিডবোট, লঞ্চ, নৌকা চলাচল করে। প্রতিটি যানে গড়ে ৪ জন কাজ করেন, অর্থাৎ ৪টি পরিবার। সেতু চালু হলে তারা সবাই বেকার হয়ে পড়বেন। তাদের সবাইকে অন্য কাজ জোগাড় করতে হবে। তবে সবার পক্ষে হয়তো নতুন কাজ সে এলাকায় পাওয়া সম্ভব হবে না। তাদের অনেকেই নিজ বাড়িতে থেকে নদীর দুই পাড়ে নানা কাজ করতে পারতেন। সেতু হলে তাদের সেসব কাজ থাকবে না।

নদীর দুই পাড়ে প্রায় হাজার খানেক হোটেল-রেস্তোরাঁ সে পথে চলাচলকারী লোকজনের খাবার জোগান দিচ্ছিল। সেতু হলে এসব হোটেল-রেস্তোরাঁ আর থাকবে না। অনেকেরই দূরে কোথাও গিয়ে অন্য কিছু করার সঙ্গতি নেই। তাদের আবার ফিরে যেতে হবে গ্রামের কৃষি কাজের শ্রমিক হিসেবে।

সেতু হলে এত মানুষের বেকার বা পেশা বদলের যে দুশ্চিন্তা সেসব বিষয় নিয়ে ভাবার লোক নেই সেখানে। সবাই শুধু ভবিষ্যতে সোনালি দিনের স্বপ্ন দেখছেন।

জেলা শিল্পকলা একাডেমি গঠনতন্ত্রের অগণতান্ত্রিক সংশোধনী কেন?

বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারীর কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত। অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও গত ৯ মাস ধরে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

চেতনায় শহীদ আসাদ

image

ছয় দফা : স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা

image

শুভ জন্মদিন, নির্মূল কমিটি

পুরো নাম ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’, একটি সংগঠনের জন্য নামটি যথেষ্ট

পাটশিল্পকে উৎসাহিত করুন

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যমতে বাংলাদেশ চলতি অর্থবছর ২০২০-২১ সালের প্রথম মাস তথা জুলাইয়ে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে ৩৯১

জমির রেকর্ড সংশোধনে মোকদ্দমা ও পদ্ধতিগত জটিলতা এড়ানোর উপায়

দেশে লাখ লাখ রেকর্ড সংশোধনের মোকদ্দমা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের অসহযোগিতা, আদালতে দীর্ঘসূত্রতা সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় বিচারিক কর্তৃপক্ষের অভাবে এসব মামলায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নেই।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে হবে ভেবেচিন্তে

image

উষ্ণতার আকুতি

শীতকাল দরিদ্র-গরিব মানুষের জন্য যেন এক অভিশাপের নাম!

ক্যাপিটল হিলে হামলা : মার্কিন গণতন্ত্রের সংকট

image

সমস্যার উৎসমূলে যাওয়া দরকার

ক’দিন আগে রাজধানীর একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ও-লেভেলের এক ছাত্রী তার এক বন্ধুর বাসায় ধর্ষণের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করে।

পৃথিবীর সুরক্ষায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি

সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে যন্ত্রসভ্যতা বিকশিত হতে থাকে। যা ক্রমবিকাশে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে এসে উপস্থিত হয়েছে।

তারপরও বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেকটা ভালোই চলছে

image

রেলওয়ের অব্যবস্থাপনায় ঝুঁকিপূর্ণ রেলপথ

image

মমতা কি বিজেপিবিরোধী? কোন যু্ক্তিতে?

image

বিলাসবহুল হোটেল নয়, চিম্বুক পাহাড়ে স্কুল ও হাসপাতাল চাই

image

প্রথম পূর্ণ ডিজিটালাইজড শিক্ষা বোর্ড যশোর

image

একটা আন্দোলনের নাম

image

জাদুকর পিসি সরকার

image

ডিজিটাল শিক্ষার নতুন দিগন্ত

কারও পক্ষে বিশ্বাস করাও কঠিন হবে যে দুই দশক আগে ২০০০ সালে বাংলাদেশে শিক্ষার ডিজিটাল যাত্রার সূচনা হয়েছে, আর তার দুই দশক পর বাংলাদেশ একটি নতুন দিগন্তে পা রেখেছে।

উৎপাদনের ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রাখা উচিত

সে অনুসারে আগামী চার বছরে পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

শিক্ষাদান কার্যক্রম : বিকল্প রূপরেখা

১৬ মার্চ ২০১৯ থেকে শিক্ষা গ্রহণ কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। বিকল্প উপায় হিসেবে অনলাইন ক্লাসকে বেছে নেয়া হয়েছে।

মাস্টার দা সূর্য সেন

image

বঙ্গবন্ধু যদি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন না করতেন

image

করোনার টিকা কতটুকু নিরাপদ

image

আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী

আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী নিয়ে বড় বড় নেতাদের মুখরোচক বক্তব্য খুব আমোদজনক।

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়

image

মহানায়কের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন

image

গৃহকর্মীদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে

রাজধানী ঢাকাসহ প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে এবং শিল্প ও বাণিজ্যের দ্রুত বিকাশের অনুষঙ্গ হিসেবে গড়ে ওঠা শহরে বসবাসরত

লাল-সবুজের পতাকা সব মাদ্রাসায় ওড়ে না, গাওয়া হয় না জাতীয় সংগীত

আওয়ামী লীগের মাননীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন

ম্রো জাতিগোষ্ঠীর মতোই আদিবাসী কোলও সংকটাপন্ন

১. পার্বত্য চট্টগ্রামের ম্রো জনগোষ্ঠীর কোন একজনকে প্রশ্ন করলে- কেমন আছে আদিবাসী ম্রোরা!

মশা বিড়ম্বনা

image

অস্ট্রেলিয়ায় আদিবাসীদের বিজয়

ইংরেজি নববর্ষ ২০২১-এর প্রথম দিনে বদলে গেল অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীত।

করোনার আয়নায় মানুষ

image

তিস্তা : বিকল্প পথে বাংলাদেশ

image

বিদায় কমরেড, বিদায়

image

মুক্তিযুদ্ধোত্তর দিনাজপুর ট্র্যাজেডি

১৯৭১ সালে দিনাজপুর জেলা শত্রুমুক্ত হওয়ার পর ভারতীয় সৈনিকদের একটি ক্যাম্প করা হয়েছিল দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে।

অস্তিত্ব সংকটে কালোমুখো হনুমান

image

আজ হাত ধুয়েছেন তো?

হাত ধোয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস; যার মাধ্যমে সহজেই অসুস্থতা থেকে বাঁচা যায়।

শিক্ষার ডিজিটাল যাত্রার দুই দশক

‘সব কিছুই আমরা ভুলে যাই’ এমন অপবাদ জাতিগতভাবে আমরা পেয়ে থাকি। দূরের ইতিহাস তো বটেই, খুব কাছের ইতিহাসই আমরা মনে রাখি না।

অমিত শাহ’র পশ্চিমবঙ্গ সফর : রাজনৈতিক প্রেক্ষিত

image

বড়দিনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা!

খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব বড়দিনের দিনে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

করোনার নতুন সংস্করণ ও টিকা

ব্রিটেনে রূপান্তরিত নতুন ধরন এবং অধিক সংক্রামক করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে।

আয়রন ও জিংক সমৃদ্ধ মসুর ডালের জাত

image

শীতকালীন সবজিতে পুষ্টির জোগান

image

আদর্শের সঠিক চর্চা দিয়ে রুখতে হবে অনাদর্শ-অশুভ শক্তি

বাঙালি মুসলমানের স্বরূপ উন্মোচন করতে গিয়ে প্রখ্যাত লেখক আহমদ ছফা বলেছেন, বাঙালি মুসলমানের মন যে এখনও আদিম অবস্থায়, তা বাঙালি হওয়ার জন্যও নয় এবং মুসলমান হওয়ার জন্য নয়।

প্রসঙ্গ : ব্যাংক লুটেরার দল

প্রতিটি মানুষের জীবনেই কিছু না কিছু অভিজ্ঞতা থাকে। বড়দের বড় আর ছোটদের ছোট এই যা তফাৎ।

বাবুই পাখির দুর্দশার কাল

image

যেভাবে রূপ বদলাচ্ছে করোনা

image

কাঁঠাল পাতার টাকায় খেলা!

শিশুবেলায় সবুজ ও হলুদ রঙের কাঁঠাল পাতাকে টাকা বানিয়ে কে না খেলেছে?

২০২১ হোক প্রত্যাশা পূরণের বছর

২০২০ সাল শেষ হয়ে গেল। দেশের ষোলো কোটি মানুষ আগ্রহ ও উৎসাহের সঙ্গে অপেক্ষা করছে নতুন ২০২১ সালকে অভ্যর্থনা জানাতে।

রাসায়নিকের আগুনে প্রাণহানির দায়

প্রায় ৪০০ বছরের রাজধানী পুরান ঢাকার রয়েছে দীর্ঘকালের ঐতিহ্য।

ক্রান্তিকালের প্রতিবাদী মানুষ

image

কমরেড মণি সিংহ আদর্শ রাজনীতির প্রতীক

image

৫০তম বিজয় দিবস

image

চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিনকে শহীদের মর্যাদা দেয়া হোক

image

জনভাবনায় গুলিস্তান : ঢাকার ‘মগের মুল্লুক’

ঢাকার প্রাণকেন্দ্র গুলিস্তানে ফ্লাইওভারের নিচে সড়কে হকারদের জুতার দোকানে দোকানে ঘুরছিলেন আজিমপুর থেকে আসা আসাদ হোসেন।

সাপ কি পোষ মানে?

সাপ নিয়ে কত না প্রবাদ প্রচলন গ্রাম-বাংলায় প্রচলিত আছে। তবে প্রবাদ বাক্য না নিয়ে সত্যিকার ঘটনাকে উদাহরণ দিয়ে লেখাটা শুরু করলাম।

ঘুরেফিরে সংবাদকর্মীরাই হামলার লক্ষ্য হন কেন

একটা সময় ছিল যখন মানুষ ছিল জনবিচ্ছিন্ন, কুয়োর ব্যাঙের মতো নিজ গ্রাম বড়জোর স্বদেশই ছিল তার চেনা জগতের মধ্যে।

বাঘা যতীনের ভাস্কর্য

‘নব ভারতের হলদিঘাট’ বুড়িবালাম নদীর তীরে যে লড়াইয়ের কথা কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার কবিতায় উদাত্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেছেন সেই লড়াইয়ের সেনাপতি ছিলেন যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়।

বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের বিস্ময়কর অগ্রগতি ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে

পাকিস্তানি শোষনের বিরুদ্ধে ১৯৬৬ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রণীত হয় ঐতিহাসিক ৬ দফা।

ভাস্কর্য : সরকার : মৌলবাদী : প্রগতিশীল সমাজ

ভাস্কর্য ইস্যুটি বাংলাদেশে নতুন নয়। বহুদিন ধরেই চলে আসছে। ভাস্কর্য ভাঙ্গা,

করোনা নিয়ে ৪৫ দিনের ঘরবন্দি জীবন যেভাবে কাটল

শুরু হলো জ্বর, হাঁচি, কাশি। ডাক্তার বললেন, নমুনা দিয়ে আইসোলেশনে চলে যান।

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ

সম্প্রতি ব্রিটেনসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশে করোনার রূপ বদল করে নতুন স্ট্রেনের ছড়িয়ে পড়ার খবরে পৃথিবীজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

বড়দিনের বড় শিক্ষা

image

২০২০, আমাদের মুক্তি দাও

১. ২০২০ সাল যাই যাই করছে, পৃথিবীর সব মানুষ পারলে অনেক আগেই এটাকে

চৌগাছায় চলছে কৃষিতে নীরব বিপ্লব

image

তিস্তার পানি বণ্টন বিষয়টি আদৌ সুরাহা হবে কি?

গত বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়ে গেল।

অতুলনীয় নেতা আবদুর রাজ্জাক

image

বাবারা এমনই হয়

বাবা ছোট একটি শব্দ হলেও এর ব্যাপকতা বিশাল। বাবা ডাকের মাঝেই লুকিয়ে আছে কি গভীর ভালোবাসা, নিরাপত্তা ও নির্ভরতা। জন্ম

আয়রন ও জিংক সমৃদ্ধ মসুর ডালের জাত

image

শীতকালীন সবজিতে পুষ্টির জোগান

image

আদর্শের সঠিক চর্চা দিয়ে রুখতে হবে অনাদর্শ-অশুভ শক্তি

বাঙালি মুসলমানের স্বরূপ উন্মোচন করতে গিয়ে প্রখ্যাত লেখক আহমদ ছফা বলেছেন, বাঙালি মুসলমানের মন যে এখনও আদিম অবস্থায়, তা বাঙালি হওয়ার জন্যও নয় এবং মুসলমান হওয়ার জন্য নয়।

প্রসঙ্গ : ব্যাংক লুটেরার দল

প্রতিটি মানুষের জীবনেই কিছু না কিছু অভিজ্ঞতা থাকে। বড়দের বড় আর ছোটদের ছোট এই যা তফাৎ।

বাবুই পাখির দুর্দশার কাল

image

যেভাবে রূপ বদলাচ্ছে করোনা

image

কাঁঠাল পাতার টাকায় খেলা!

শিশুবেলায় সবুজ ও হলুদ রঙের কাঁঠাল পাতাকে টাকা বানিয়ে কে না খেলেছে?

২০২১ হোক প্রত্যাশা পূরণের বছর

২০২০ সাল শেষ হয়ে গেল। দেশের ষোলো কোটি মানুষ আগ্রহ ও উৎসাহের সঙ্গে অপেক্ষা করছে নতুন ২০২১ সালকে অভ্যর্থনা জানাতে।

রাসায়নিকের আগুনে প্রাণহানির দায়

প্রায় ৪০০ বছরের রাজধানী পুরান ঢাকার রয়েছে দীর্ঘকালের ঐতিহ্য।

ক্রান্তিকালের প্রতিবাদী মানুষ

image

কমরেড মণি সিংহ আদর্শ রাজনীতির প্রতীক

image

৫০তম বিজয় দিবস

image

চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিনকে শহীদের মর্যাদা দেয়া হোক

image

জনভাবনায় গুলিস্তান : ঢাকার ‘মগের মুল্লুক’

ঢাকার প্রাণকেন্দ্র গুলিস্তানে ফ্লাইওভারের নিচে সড়কে হকারদের জুতার দোকানে দোকানে ঘুরছিলেন আজিমপুর থেকে আসা আসাদ হোসেন।

সাপ কি পোষ মানে?

সাপ নিয়ে কত না প্রবাদ প্রচলন গ্রাম-বাংলায় প্রচলিত আছে। তবে প্রবাদ বাক্য না নিয়ে সত্যিকার ঘটনাকে উদাহরণ দিয়ে লেখাটা শুরু করলাম।

ঘুরেফিরে সংবাদকর্মীরাই হামলার লক্ষ্য হন কেন

একটা সময় ছিল যখন মানুষ ছিল জনবিচ্ছিন্ন, কুয়োর ব্যাঙের মতো নিজ গ্রাম বড়জোর স্বদেশই ছিল তার চেনা জগতের মধ্যে।

বাঘা যতীনের ভাস্কর্য

‘নব ভারতের হলদিঘাট’ বুড়িবালাম নদীর তীরে যে লড়াইয়ের কথা কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার কবিতায় উদাত্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেছেন সেই লড়াইয়ের সেনাপতি ছিলেন যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়।

বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের বিস্ময়কর অগ্রগতি ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে

পাকিস্তানি শোষনের বিরুদ্ধে ১৯৬৬ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রণীত হয় ঐতিহাসিক ৬ দফা।

ভাস্কর্য : সরকার : মৌলবাদী : প্রগতিশীল সমাজ

ভাস্কর্য ইস্যুটি বাংলাদেশে নতুন নয়। বহুদিন ধরেই চলে আসছে। ভাস্কর্য ভাঙ্গা,

করোনা নিয়ে ৪৫ দিনের ঘরবন্দি জীবন যেভাবে কাটল

শুরু হলো জ্বর, হাঁচি, কাশি। ডাক্তার বললেন, নমুনা দিয়ে আইসোলেশনে চলে যান।

মূর্তি বনাম ভাস্কর্য

দেশের ইসলামপন্থি দল হেফাজতে ইসলাম ঢাকার ধোলাইরপাড় চত্বরে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতা করে গত কিছুদিন যাবত প্রতিবাদ, বিক্ষোভ করে আসছে।

খাদ্য প্রক্রিয়াজাত ও ভ্যাল্যু অ্যাডিশন কার্যক্রম এবং সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি খাত সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। জীবন-জীবিকার পাশাপাশি জাতির সার্বিক উন্নয়নে কৃষি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে।

‘কিলো ফ্লাইট’ ও একাত্তরের এক বীর : বীর উত্তম ক্যাপ্টেন আকরাম

image

ভোজ্যতেলের গুরুত্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত

image

বীরাঙ্গনাদের সীমাহীন ত্যাগ অতঃপর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি

যে কোন যুদ্ধে সবচেয়ে প্রথম এবং বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নারী (বর্তমানে রোহিঙ্গা মহিলারা)।

সীমা এবং সীমা লঙ্ঘন

image

সাহসী সাংবাদিকতার পথিকৃৎ জহুর হোসেন চৌধুরী

image

টুকরো স্মৃতিতে ব্যতিক্রমী মানুষের প্রতিচ্ছবি

image

কেমন আছে শরণার্থী রোহিঙ্গারা

মহামতি বুদ্ধ একদিন তার শিষ্যদের নিয়ে বসে আছেন। এমন সময় এক লোক এসে তার মুখে থুতু ছিটিয়ে দিল।

অবহেলিত সূর্য সন্তানদের বোবা কান্না

উজলপুর বাংলার শ্যামলিময় সবুজে ঘেরা একটি গ্রাম। ‘৭১ সালে এখানে পাকিস্তানি সেনা ও তার দোসর রাজাকার বাহিনীর সঙ্গে তুমুল যুদ্ধ হয়েছিল মুক্তি সেনাদের।

নারী মুক্তির দিশারী

image

মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অমুক্তিযোদ্ধা

বর্তমান সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যত সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে অতীতে কোন সরকারই তা করেনি।

অধিক ফলনশীল জাতের বোরো ব্রিধান-৮৮

image

অবহেলিত সূর্যসন্তানদের বোবা কান্না

যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার চিনাটোলা নামক বাজারে একটি পাকিস্তানি সেনা ক্যাম্প ছিল।

সাকিবের ক্ষমা প্রার্থনা

image

চিনিকল বন্ধ হলে দুর্ভোগে পড়বেন কৃষক

image

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে অনাকাঙ্খিত বিতর্ক

আমরা অভাগা বলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যথার্থ মূল্যায়ন করতে পারলাম না।

ভূমি রেকর্ড ব্যবস্থার সক্রিয়করণ সফলতা ও ব্যর্থতা

১৯৭১ সালের যুদ্ধের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রের আবির্ভাব হয়েছে।

‘ভয়’ শব্দটা কত স্নিগ্ধ, কত শ্রদ্ধেয়

ভদ্র হিসেবে গড়ে তুলতে গিয়ে আমরা আমাদের ছেলেমেয়েদের প্রতিবাদহীন নিষ্কর্মার ঢেঁকি অর্থাৎ অকোজো করে গড়ে তুলছি না তো?

সীমান্তে হত্যা কি থামবে না?

তথ্যমতে এ বছরে গত ১০ মাসে অত্যন্ত কমপক্ষে ৪২ জন বাংলাদেশি সাধারণ জনগণ ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছেন।