download

রোববার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

মানসম্মত কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই

নীলকণ্ঠ আইচ মজুমদার

যে শিক্ষা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা বাস্তব জীবনে ব্যবহার করে কোন একটি নির্দিষ্ট পেশায় নিযুক্ত হতে পারে তাই কারিগরি শিক্ষা। এসব শিক্ষা ব্যবস্থায় তত্ত্বীয় পড়াশুনার চেয়ে ব্যবহারিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। ছোট এই ভূখন্ডে বিপুল জনগোষ্ঠীর চাহিদা মেটাতে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাকে নবরূপে সাজানোর কোনো বিকল্প নেই এটা সবার ভাবনা। সাধারণ শিক্ষা মানুষকে যেমন নির্দিষ্ট কর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে রাখে তার বিপরীতে কারিগরি শিক্ষা কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে খুব কম সময়ের মধ্যেই মানুষ পেশা জগতে সম্পৃক্ত হতে পারে এবং যার ফলে মানুষ জীবনযুদ্ধে টিকে থাকতে সক্ষম হয় এবং উপার্জনের সক্ষমতা অর্জন করে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার কারিগরি শিক্ষাকে মাধ্যমিক স্তরে বাধ্যতামূলক করেছে এবং কলেজ পর্যায়ে কারিগরি ট্রেড খোলার জন্য সরকারের নির্দেশনা রয়েছে।

জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ এ বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থা বেশ গুরুত্ব পেয়েছে। বাজেটে বরাদ্ধ বৃদ্ধিসহ কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কারিগরি প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করেছে। মুজিবর্ষে এসব কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করে একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

এ কারণে একদিকে যেমন ঝড়ে পড়া হ্রাস পাচ্ছে অন্যদিকে কম মেধাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা হাতে কলমে শিক্ষা লাভ করে কর্মসংস্থান করতে সক্ষম হচ্ছে। ব্যানবেইসের ২০১৮ সালের তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৬ হাজার ৮৩৫টি। এরমধ্যে সরকারি ৮৬৬টি ও বেসরকারি ৫ হাজার ৯৯৯টি। শিক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৪ জন। এতে যুক্ত করা হয়েছে ৬ মাস মেয়াদি বিভিন্ন শর্ট কোর্স। এ কোর্সের আওতাধীন ২ হাজার ৬০০টি ট্রেনিং সেন্টার রয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠানে যেসব কোর্স পরিচালনা হচ্ছে তা থেকে কতটুকু কারিগরি জ্ঞান অর্জন করতে পারছে শিক্ষার্থীরা তা নিয়ে উদ্বেগ থেকে যায়। কাগজপত্রে এসব প্রতিষ্ঠান মান অর্জন করলেও বাস্তবে বেশির ভাগই প্রতিষ্ঠানই মান অর্জন করতে পারেনি। প্রায় সকল প্রতিষ্ঠানেই রয়েছে দক্ষ শিক্ষকের সংকট। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও বাড়েনি শিক্ষকের সংখ্যা।

অন্যদিকে সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষার্থীরা মনোযোগ দেওয়ায় দিন দিন তৈরি হচ্ছে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা। সাধারণ শিক্ষায় পড়াশুনা করা শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ছোট এ জনসংখ্যাবহুল দেশে কখনও সম্ভব নয়। এছাড়াও বৈশ্বিক চাহিদার ক্ষেত্রে সাধারণ শিক্ষা অনেকটাই প্রতিযোগিতাহীন। সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত শিক্ষার্থী কেবল চাকুরির নেশায় ঘুরতে ঘুরতে লক্ষ্যহীন হয়ে পড়ছে। তরুণরা হয়ে পড়ছে বিপথগামী। এতে বাড়ছে সামাজিক অস্থিরতা। পৃথিবীতে যত দেশ অর্থনৈতিকভাবে সমবৃদ্ধি অর্জন করেছে তার বেশির ভাগই অর্জিত হয়েছে কারিগরি শিক্ষার ফলের মাধ্যমে।

শিল্পের দিকে যত ধাবিত হবে দেশ ততই প্রয়োজন হবে কারিগরি শিক্ষা। পৃথিবীর সব দেশেই কারিগরি শিক্ষায় যে শ্রমিক যত বেশি জ্ঞান অর্জন করতে পেরেছে তার সুফলও তত বেশি হয়েছে। আমাদের দেশ থেকে যেসব মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য অন্য দেশে পাড়ি দিচ্ছে তারাও বিদেশে গিয়ে খুব একটা আয় রোজগারের পথ খুঁজে পাচ্ছে না বলেই জানা যায়। দেশে-বিদেশে কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন কর্মীর চাহিদা থাকা সত্ত্বেও জনবলকাঠমো গড়ে তুলতে পারছিনা।

প্রশ্ন হলো আমাদের দেশে এ কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা বর্তমান প্রেক্ষাপটে কতটুকু বাস্তবায়ন হচ্ছে বা সফলতার মুখ দেখছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় কারিগরি শিক্ষাটাও সার্টিফিকেট সর্বস্ব হয়ে যাচ্ছে। ব্যাঙের ছাতার মতো যত্রতত্র গড়ে উঠছে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠান বেশি হলে সুফল পাবে শিক্ষার্থীরা একথা সত্য। তবে এসব প্রতিষ্ঠান হতে হবে মানসম্মত। মানহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষা ব্যবস্থায় বিপর্যয় ডেকে আনবে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারের পক্ষ থেকে মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা নেই বললেই চলে।

কীভাবে চলছে কে চালাচ্ছে সেগুলো শুধুই কাগজপত্রে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় ছয় মাসের কম্পিউটার কোর্স করা শিক্ষার্থীরা কিংবা দুই বছরের বিএম কোর্স করা শিক্ষার্থীরা কোন দিন কম্পিউটার অনই করেনি কিন্তু ফলাফল এ প্লাস। কী বিচিত্র বৃত্তিমূলক শিক্ষাক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে? প্রশ্ন হলো এসব কেন হচ্ছে? যত্রতত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠা, পরিদর্শনের দুর্বলতা, একটিমাত্র বোর্ডের ওপর এতসব কোর্স পরিচালনার দায়িত্ব, বোর্ডের জনবল কম থাকা, সিলেবাসগত জটিলতা, পরীক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটি মূলত এসব প্রতিষ্ঠান থেকে সঠিক ফল না পাওয়ার কারণ।

২০০৪ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের ৪৯টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে প্রথম ও দ্বিতীয় পালায় পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে কিন্তু প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেই রয়েছে শিক্ষক সংকট। তাহলে প্রশ্ন হলো আসন বৃদ্ধি করে আমরা কেমন শিক্ষা দিতে যাচ্ছি। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় উন্নত দেশগুলো অনেক এগিয়ে গেছে। সেই তুলনায় বলা যায়, বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে বহু দিক থেকে। উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে এবং মানসম্মত কারিগিরি শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করতে হলে একটি সঠিক নীতিমালা প্রয়োজন। যখন তখন এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনার নীতি পরিবর্তনের ফলে তৈরি হচ্ছে হ-য-ব-র-ল পদ্ধতি।

চলতি বছরে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষায় বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৮ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকা; যা বিগত বছরের তুলনায় ৮৮৪ কোটি টাকা বেশি। বিভিন্ন সময় সুশীল সমাজ এবং শিক্ষাবিদদের পক্ষ থেকে শিক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধি করার কথা বলা হলেও বাস্তবে তা হচ্ছে না। শিক্ষা ব্যবস্থায় এখনও মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষাকে একটি বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করে রাখা হয়েছে; যার ফলে এ শিক্ষায় গুরুত্ব কম পাচ্ছে এ কথা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। আর বাজেটের যে অর্থ থাকে তার বেশির ভাগই ব্যয় হয়ে যাচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণে; যার ফলে শিক্ষার মান উন্নয়নে এত অল্প বাজেট কোন ভূমিকা রাখতে পারছে না।

শিক্ষার মান বাড়াতে বাজেট বরাদ্দ যেমনি বৃদ্ধি করতে হবে তেমনি এ বাজেট যেন সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায় সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো দক্ষ জনবল কাঠামো গড়ে তোলা। সরকারের উচিত কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে আগ্রহী করে তোলা। না হলে বাজেট যতই বৃদ্ধি করা হোক না কেন তা কোন কাজে আসবে না।

সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে গুরুত্ব দেওয়ার কথা হলেও বিভন্ন কারণে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করতে ব্যর্থ হচ্ছে। আগামীর পৃথিবী হবে প্রযুক্তিনির্ভর ও পরিবর্তনমুখী। তাই দেশকে সাজাতে হলে এবং পৃথিবীর সাথে টিকে থাকতে হলে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে গুরুত্ব দিয়ে করতে সময় উপযোগী। ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে যে পরিমাণ দক্ষ জনবল প্রয়োজন তা আমরা সৃষ্টি করতে পারছি না; তাই এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছি আমরা। আমাদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে যে, হাতেকলমে বাস্তবধর্মী শিক্ষা গ্রহণ করে নিজের জীবন পরিবর্তন ও দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবো। আর এ কারিগরি শিক্ষা ২০৪১ সালের উন্নত রাষ্ট্র গড়ার প্রত্যয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যেতে পারে।

[লেখক : প্রভাষক, আলীনগর কারিগরি ও

বাণিজ্যিক কলেজ]

ফিশারিজ ও একোয়াকালচার শিক্ষা ও গবেষণার সম্ভাবনা

২০১৯ সালে ৫ম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে।

আত্মহত্যা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা

যান্ত্রিক সভ্যতার বিকাশ যত ঘটছে মানুষ ততই ব্যক্তিকেন্দ্রিকতার ঘেরাটোপে আটকা পড়ছে।

রক্তাক্ত মাতৃভাষা, বঙ্গবন্ধু ও বাংলা ভাষা

একুশ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হলো। সারা বিশ্ব এই দিনটি অন্তরের গভীর আবেগ

নগরীয় কৃষি নীতিমালা প্রণয়ন সময়ের দাবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গ্রাম হবে শহর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, গ্রামকে শহরে রূপান্তর করা

বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গড়ার প্রচেষ্টায় জাবি বিজ্ঞান ক্লাব

২০১৯ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞান ক্লাব আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘জাতীয় ৬ষ্ঠ গণিত অলিম্পিয়াড’-এর একটি আনন্দঘন মুহূর্তে এর সফল রূপায়ণের নেপথ্য কারিগর ক্লাবের সদস্যবৃন্দ

সামরিক-বেসামরিক নয়, মায়ানমারের সংকটটা বহুমাত্রিক

মায়ানামারের অবস্থা প্রতিদিনই কঠিন হচ্ছে। সেখানে যারা প্রতিবাদ করছে কেবল তাদের কারণেই পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে তা নয়।

জেলখানায় একজন লেখকের মৃত্যু ও ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট

লেখক মুশতাক আহমদ জেলে বন্দী অবস্থায় মারা গেছেন। ঘটনাটি দুঃখজনক।

শ্রেণীকক্ষে মূল্যায়ন জটিল তবে আনন্দের কাজ

শ্রেণীকক্ষে মূল্যায়ন একটি আর্ট, একটি বিশেষ ধরনের বিজ্ঞান। এতে একজন শিক্ষকের আগ্রহ থাকতে হবে।

শহীদ মিনার : প্রতিবাদের মঞ্চ

ভাষা দিবস না থাকলে বাঙালির জীবনে ফেব্রুয়ারি মাসের আলাদা কোন গুরুত্ব থাকতো না।

আমাদের নিঃস্ব করে চলে যাচ্ছেন সৎ ও সাহসী মানুষেরা

image

গুরু রবিদাসজীর জন্মজয়ন্তী

পৃথিবীতে যেসব মানুষ শ্রেণীহীন সমাজ ব্যবস্থার কথা চিন্তা করেছেন সন্ত রবিদাসজী তাদের মধ্যে অগ্রসর।

জাতীয় ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস

মানবদেহ যখন রক্তের সব গ্লুকোজ ভাঙতে ব্যর্থ হয় তখনই ডায়াবেটিস হয়।

মাতৃভাষা বাংলা : আজকের পরিপ্রেক্ষিত

মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার ভিতর দিয়ে মহান একুশের আন্দোলন আজ দেশ-কালের সীমা অতিক্রম করে সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ, ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে একটি জ্বলন্ত প্রতিবাদ হিসেবে গোটা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের আদর্শ।

জমিজমার জাল দলিল শনাক্তকরণের উপায় ও বাতিলের নিয়মাবলী

জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রে সাবধান না হলে পরবর্তীতে দীর্ঘদিন নানা ঝামেলা পোহাতে হয়।

বিচারপ্রার্থী নারী ও আদালত

নারীর নানাবিধ নির্যাতন, ধর্ষণ, হত্যা দেশে-বিদেশে অব্যাহত আলোচনার বিষয়।

স্মৃতিতে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ

image

দয়া করে বাস্তবসম্মত আশ্বাস দিন

আশাবাদ, আশ্বাস এবং স্বপ্নকে কখনও জবাবদিহি করতে হয় না। এ এক নির্মাণশৈলী জাত সুবিধা।

ভাষা আন্দোলনে গণমাধ্যমের ভূমিকা

ভাষা আন্দোলনের শুরু ১৯৪৮ সালে। ঢাকায় তখন প্রধান দৈনিক পত্রিকা আজাদ এবং ইংরেজি মর্নিং নিউজ।

রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্ত হত্যা মামলার আসামিরা : সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগের নজির!

বাংলাদেশে বরাবরই সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং শীর্ষ আমলাদের মুখ থেকে একটি বহুল কথিত বাক্য হচ্ছে

যাদের টিকা নেয়া জরুরি

কোভিড-১৯ একটি ছোঁয়াচে রোগ, যা বিশ্বের প্রায় সবকটি দেশেই মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ে।

আলী আহমদ চুনকা : সাধারণ মানুষের নেতা

image

আহমদ শরীফ : প্রেরণার উৎস

image

বাংলাদেশ বেতারের পথচলা

১৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়েছে জাতিসংঘ ঘোষিত ১০ম বিশ্ব বেতার দিবস।

রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই

মাত্র ক’দিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উচ্চ আদালতে ইংরেজির পাশাপাশি বাংলায় রায় লেখার আহ্বান জানিয়েছেন। বর্তমানে দু-একজন

‘বঙ্গবন্ধু’ ও বাংলাদেশ

এই ফেব্রুয়ারি মাসের ২৩ তারিখটি প্রতি বছর গভীরভাবে স্মরণ করি। দিবসটি আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ দিন। ১৯৬৯ সালের এই দিনে বাংলার

একুশের চেতনা শানিত হোক চিত্তে ও চৈতন্যে

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি-এই গানটি আমাদের শিহরিত করে আর জাগরিত করে। আমাদের

শরীফ মিয়ার ক্যান্টিন, টিএসসি আর প্রান্তিকজনের ইতিহাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে নতুন ভবন নির্মাণ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়া

দেশ-বিদেশের প্রেক্ষাপটে বাংলা ভাষা

প্রতিটি ঐতিহ্যবাহী জাতি-ই তার নিজস্ব ভাষাকে দরদ দিয়ে লালন করে থাকে।

বিশ্বের প্রথম নারী ভাষাশহীদ

image

রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল

বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডে মদত দেয়ার কারণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডারদের

ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখালেখির অধিকাংশই বর্ণনামুখী অর্থাৎ ভাষা আন্দোলনের সূচনা থেকে একুশে ফেব্রুয়ারিতে এসে এর পরিসমাপ্তি।

সাঁওতালি ভাষার যাত্রা মসৃণ হোক

সাঁওতাল ভাষার বর্ণমালা বির্তক যেন কোনভাবেই পিছু ছাড়ছে না। দীর্ঘ বছরের অর্জন এখন আমার দেশের সাঁওতালরা তিনটি বর্ণমালাকে হাজির করেছেন।

বরাক উপত্যকার বাংলা ভাষা আন্দোলন

১৯ মে। ভাষার ইতিহাসে এক রক্তাক্ত অধ্যায়ের দিন। ১৯৬১ সালের ১৯ মে ভারতের বরাক উপত্যকার (বরাক ভ্যালি) কাছাড় জেলার শিলচরের ১১ জন বাঙালি মায়ের ভাষা রক্ষার জন্য তথা

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি- মমতার মোকাবিলায় বাম-কংগ্রেসের বিকল্প কী

বাঙালিবিরোধী রাজনীতিতে আসীন মানুষদের ইউরোপের নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির আদলে দেখতে একদম অভ্যস্ত নয়।

চরাঞ্চলে মিষ্টি কুমড়া আবাদে ‘স্যান্ডবার’ প্রযুক্তি

image

কেমন রাজধানী বানিয়েছি আমরা

মেগাসিটি ঢাকার পাঁচতলা ফ্ল্যাটের কাচের জানালা গলিয়ে বাইরে তাকাতে হতবাক হয়ে যাই।

করোনাকালের চলচ্চিত্র ভাবনা

অতি সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নের জন্য এক হাজার কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করেছেন।

শিক্ষা আইন-২০২০ : নোট-গাইড বনাম সহায়ক বই

শিক্ষা আইন-২০২০ এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। ছোটখাটো বানান সংশোধন ছাড়া আর কোন পরিবর্তন করা হয়নি।

বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী : সমৃদ্ধির পথে যাত্রা

বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে সহায়তা করে আসছে চীন। যা, দেশ দুটির সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করেছে।

ভাষাসংগ্রামী : সুসংবাদ-দুঃসংবাদ

ভাষা-শহীদ ও ভাষা-সৈনিকদের তত্ত্ব-তালাশ নেওয়ার, ভাষা আন্দোলনের

সত্য বলার বাতিক

১৯৬৬ সালে ইংরেজ পণ্ডিত অলউইন রাডক নানা দলিলপত্র ঘেঁটে মত দেন ভেনিসিও নাবিক জুয়ান শ্যাবতো ১৪৭০ সালের দিকেই আমেরিকায়

রেলের টেকসই উন্নয়নে তদারকি প্রয়োজন

রেলের শনৈ শনৈ উন্নতিতে আমি ভীষন খুশি। ট্রেনে ভ্রমণ পিয়াসী সবার একই রকম খুশি হওয়ার কথা। এ বৃদ্ধ বয়সে পরিবারসহ ট্রেনে

ভাষা আন্দোলনে মুন্সীগঞ্জ

১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বাংলার প্রতিটি অঞ্চলের মতো মুন্সীগঞ্জেও হয় আন্দোলন, হয় নানা ধরনের সভা সমাবেশ।

ছয় দফা : স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা

আগরতলা মামলার মাধ্যমে বাঙালি জাতির জাগরণ এবং শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ও জনপ্রিয়তা শীর্ষে পৌঁছে যায়। হোসেন শহীদ

রাজনীতি এখন কাদের হাতে?

সুদীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন এই ভূখণ্ড ৫০ বছর পরে এখন রাজনীতিহীন

মায়ানমারের সেনা অভ্যুত্থান ও ঘটনাপ্রবাহ

২০১১ সালে দীর্ঘদিনের অন্তরীণ নেত্রী অং সান সুচির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি) ওই সামরিক বাহিনীর মৌন সম্মতি

আদা-হলুদে স্বনির্ভর হতে করণীয়

২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে আদা আমদানি করতে হয় ১ লাখ ২৮ হাজার ৬০৭ মেট্রিক টন। যদি প্রতি কেজি আমদানিতে ১০০ টাকা ব্যয়

সোশ্যাল মিডিয়ার কাছে নতিস্বীকার করেছে মূলধারার গণমাধ্যম

image

চীনের প্রভাব কাটাতে রাশিয়ান অস্ত্রে ঝোঁক মায়ানমারের

মায়ানমার সেনাবাহিনীর সর্বশেষ অভ্যুত্থানের শুরুতেই টেলিভিশন ক্যামেরায় সামরিক কনভয়ের যে দৃশ্য ধরা পড়ে তাতে আরেকটি পার্শ্বদৃশ্য ছিল স্পষ্ট।

বাংলার ক্রিকেটের আদিপুরুষ সারদারঞ্জন

image

লোকশিল্পী বীরেন্দ্রনাথ রায়

image

মায়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থান

image

‘টিকা’ টিপ্পনী

image

অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রযাত্রা

বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতিতে অনেক দেশে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিলেও বাংলাদেশ তা অনেকটাই এড়াতে পেরেছে।

পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন ভোট ও দক্ষিণ এশিয়া

বছরখানেক আগে পর্যন্ত অনেকের মনেই প্রশ্ন ছিল বিজেপি কি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখলের বিষয়ে সত্যিই সিরিয়াস?

শব্দের যন্ত্রণা! যন্ত্রণার শব্দ!

শুক্রবার কাল প্রায় সারা রাতই ঘুম হয়নি। এমনিতেই আমার ঘুমের খুব একটা সমস্যা নেই কিন্তু রাত ২টা অবধি উচ্চশব্দে গান ও চিৎকারের কারণটাই মুখ্য।

কুষ্ঠ নির্মূলে আমাদের করণীয়

বিগত ৩১ জানুয়ারি দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি ও আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস পালিত হলো।

মধুপুরের বন-মাটি

image

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর চেয়ে স্যাটেলাইট-২ মহাকাশে পাঠানো অনেক সহজ হবে।

এত হরিণের চামড়া যায় কোথায়?

image

চেনা চেনা নিস্তব্ধ মুখ, অচেনা সময়

এক দ্রৌপদী এ সমাজের মেয়েদের মতো কোন সাধারণ মেয়ে ছিলেন না। দ্রুপদ রাজার যজ্ঞের অগ্নি থেকে তার জন্ম।

‘গোয়াল আপনার, গরু আমাদের’

যশোর সদর উপজেলার গাইদগাছি গ্রাম থেকে কেশবপুর উপজেলার ভান্ডারখোলা অনেক দূরের পথ।

প্লাস্টিক পণ্য : গুণগতমান নিশ্চিত হলে রপ্তানিতে গতি বাড়বে

দেশের আনাচে-কানাচে অনেক পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে, যেগুলো আবার বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।

মায়ানমারে সেনাশাসন : সু চি, যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং জাতিগত সংঘাত

image

কোন পথে গণতন্ত্র

ফ্রান্সের একজন খ্যাতনামা জেনারেল ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ফ্রেঞ্চ ফিফথ রিপাবলিকের প্রতিষ্ঠাতা চার্লস দ্য গলের অবিস্মরণীয় একটি উক্তি স্মরণ করতে চাই।

সুন্দরবন রক্ষায় বাঘকে বাঁচাতে হবে

image

নির্বাচনে অনিয়ম

image

আবছা গণতন্ত্রের দেশে ফের বিপর্যয় ও সু চির রিমান্ড

image

মমতার ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের রাজনৈতিক তাৎপর্য

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন অটলবিহারী বাজপেয়ীর মন্ত্রিসভায় ছিলেন

ভাষা আন্দোলনে মুন্সীগঞ্জ

১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বাংলার প্রতিটি অঞ্চলের মতো মুন্সীগঞ্জেও হয় আন্দোলন, হয় নানা ধরনের সভা সমাবেশ।

ছয় দফা : স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা

আগরতলা মামলার মাধ্যমে বাঙালি জাতির জাগরণ এবং শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ও জনপ্রিয়তা শীর্ষে পৌঁছে যায়। হোসেন শহীদ

রাজনীতি এখন কাদের হাতে?

সুদীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন এই ভূখণ্ড ৫০ বছর পরে এখন রাজনীতিহীন

মায়ানমারের সেনা অভ্যুত্থান ও ঘটনাপ্রবাহ

২০১১ সালে দীর্ঘদিনের অন্তরীণ নেত্রী অং সান সুচির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি) ওই সামরিক বাহিনীর মৌন সম্মতি

আদা-হলুদে স্বনির্ভর হতে করণীয়

২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে আদা আমদানি করতে হয় ১ লাখ ২৮ হাজার ৬০৭ মেট্রিক টন। যদি প্রতি কেজি আমদানিতে ১০০ টাকা ব্যয়

সোশ্যাল মিডিয়ার কাছে নতিস্বীকার করেছে মূলধারার গণমাধ্যম

image

চীনের প্রভাব কাটাতে রাশিয়ান অস্ত্রে ঝোঁক মায়ানমারের

মায়ানমার সেনাবাহিনীর সর্বশেষ অভ্যুত্থানের শুরুতেই টেলিভিশন ক্যামেরায় সামরিক কনভয়ের যে দৃশ্য ধরা পড়ে তাতে আরেকটি পার্শ্বদৃশ্য ছিল স্পষ্ট।

বাংলার ক্রিকেটের আদিপুরুষ সারদারঞ্জন

image

লোকশিল্পী বীরেন্দ্রনাথ রায়

image

মায়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থান

image

‘টিকা’ টিপ্পনী

image

অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রযাত্রা

বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতিতে অনেক দেশে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিলেও বাংলাদেশ তা অনেকটাই এড়াতে পেরেছে।

পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন ভোট ও দক্ষিণ এশিয়া

বছরখানেক আগে পর্যন্ত অনেকের মনেই প্রশ্ন ছিল বিজেপি কি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখলের বিষয়ে সত্যিই সিরিয়াস?

শব্দের যন্ত্রণা! যন্ত্রণার শব্দ!

শুক্রবার কাল প্রায় সারা রাতই ঘুম হয়নি। এমনিতেই আমার ঘুমের খুব একটা সমস্যা নেই কিন্তু রাত ২টা অবধি উচ্চশব্দে গান ও চিৎকারের কারণটাই মুখ্য।

কুষ্ঠ নির্মূলে আমাদের করণীয়

বিগত ৩১ জানুয়ারি দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি ও আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস পালিত হলো।

মধুপুরের বন-মাটি

image

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর চেয়ে স্যাটেলাইট-২ মহাকাশে পাঠানো অনেক সহজ হবে।

এত হরিণের চামড়া যায় কোথায়?

image

চেনা চেনা নিস্তব্ধ মুখ, অচেনা সময়

এক দ্রৌপদী এ সমাজের মেয়েদের মতো কোন সাধারণ মেয়ে ছিলেন না। দ্রুপদ রাজার যজ্ঞের অগ্নি থেকে তার জন্ম।

‘গোয়াল আপনার, গরু আমাদের’

যশোর সদর উপজেলার গাইদগাছি গ্রাম থেকে কেশবপুর উপজেলার ভান্ডারখোলা অনেক দূরের পথ।

একজন ইংরেজ সাংবাদিকের বর্ণনায় গান্ধী হত্যার ঘটনা

image

করোনাকালে পরীক্ষা ব্যবস্থা ও আগামীর সম্ভাবনা

১০ মাস শিক্ষা ব্যবস্থা থেমে থাকার পর পরীক্ষামূলক হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তার স্থগিতকৃত ও মাঝপথে থেমে যাওয়া চতুর্থ বর্ষ সম্মান শ্রেণীর অসমাপ্ত পরীক্ষাসমূহ সমাপ্তির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

ভরাট হচ্ছে জলাশয়, কমছে চাষাবাদের জমি

image

টিকা নিয়ে টিপ্পনির ডেলিভারি!

image

পরিবেশ রক্ষায় টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানি

আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি ও জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। রূপকল্প-২০২১ অনুযায়ী দেশের সব নাগরিককে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

ক্ষমা করো মুক্তিযোদ্ধা গোবিন্দ রায়

না, এমন খবর পড়তে চাই না কোন সংবাদপত্রের পাতায়। দেখতেও চাই না কোন টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত হতে, শুনতেও চাই না কোন উৎস থেকে।

আরব বসন্তের পর জীবন কি ভালো হয়েছে

‘সত্যি করে বল তো, এখন কি জীবন আগের চেয়ে ভালো হয়েছে?’ তিউনিসিয়ার ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার কাছ থেকেই আমাকে প্রায়ই শুনতে হয় এ প্রশ্ন।

শামস কিবরিয়ার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

image

সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে সতর্ক থাকছি তো?

বৃহস্পতিবার তথ্য সুরক্ষা দিবস। সাইবার অপরাধের কথা আমরা প্রায়ই শুনে থাকি।

ভ্যাকসিন নিলাম আপনিও নিন

image

ছয় দফা : স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা

চার ছয় দফাকেন্দ্রিক নির্যাতন চলতেই থাকে : বঙ্গবন্ধু ছয় দফা ঘোষণা করে বস্তুত

মাইকেল মধুসূদন বাংলা কাব্যসাহিত্যের প্রথম দ্বার উন্মোচনকারী

image

প্রাণের স্পন্দন ফেরাবে করোনার টিকা

image

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক

সামাজিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলাসহ দেশের যে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় জনগণের পাশে এসে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনে তাদের সক্রিয়ভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করার পরিকল্পনা নিয়ে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা দল গঠন করা হয়েছে।

কমাতে হবে সমুদ্রদূষণ

মহাবিশ্বের অন্যতম প্রাকৃতিক শক্তি ও সম্পদের আধার হচ্ছে সমুদ্র। একদিকে যেমন পৃথিবীতে মানুষের বংশ-বিস্তার ক্রমশ বাড়ছে অন্যদিকে সমুদ্রের ওপর মানুষের নির্ভরশীলতাও বাড়ছে।

পঞ্চাশ বছর ধরে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির অপেক্ষায় এক মুক্তিযোদ্ধা

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে মর্মস্পর্শী খবর প্রকাশিত হয়েছে। খবরটির শিরোনাম ছিল ‘যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবক সুবল ভাই জীবনসায়াহ্নে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চান’।

পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন ভোট এবং বামপন্থিরা

image

তেভাগা আন্দোলনের পুরোধা

image

মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে কাটাছেঁড়া আর কত দিন চলবে?

স্বাধীনতার ৪৯ বছরেও এখনও মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা করা সম্ভব হয়নি। সংশোধন করা হয়েছে ছয়বার।

বাইডেনের জন্য আরও বেশি বিপজ্জনক বিশ্ব রেখে গেছেন ট্রাম্প

image