করোনা আক্রান্ত শেয়ারবাজার

মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম

বিশ্ব এক নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে অভূতপূর্ব পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) মনে করে ৩০ দশকের পরে সবচেয়ে বড় মন্দার দ্বারপ্রান্তে এখন পুরো বিশ্ব। তবে এবারের মন্দাকে এখনই আরেকটি মহামন্দা বলার সময় এখনও আসেনি। সারা বিশ্বে অর্থনীতি স্থবির, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কমেছে, বেসরকারি বিনিয়োগের অনিশ্চয়তা, কর্মসংস্থানের অভাবে বেকারত্ব বেড়ে যাবে, মানুষের আয় কমে যাবে। ফলে আইএমএফের মতে চলতি বছর ৯৫ শতাংশ দেশে জীবনযাত্রার মান কমে যাবে। ইতোমধ্যে খরচ কমাচ্ছে বেসরকারি খাত এতে কমছে সামগ্রিক চাহিদা ও উৎপাদন। বিশ্বব্যাংক পূর্বাভাস দিয়েছে। চলতি বছরে বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদান (জিডিপি) ৩ শতাংশ সংকুচিত হবে। অন্যদিকে আইএমএফ বলছে, এবছর বিশ্বে গড় উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় হ্রাস পাবে চার দশমিক ৯ শতাংশ। এর মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি-যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি সংকুচিত হবে ৮ শতাংশ। জাপানের উৎপাদন ৫ দশমিক ৮ শতাংশ কম হবে। ভারতের অর্থনীতি সারে ৪ শতাংশ সংকুচিত হবে। তবে চীনের প্রবৃদ্ধি হবে মাত্র ১ শতাংশ, যা কিনা গত কয়েক দশকের মধ্যে সর্বনি¤œ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে আইএমএফের মতে ‘জীবদ্দশায় বা স্মরণকালে প্রথমবারের মতো’ এশিয়ার অর্থনীতি সংকুচিত হতে চলেছে।

বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বারবার সংকট-মন্দা দেখা গেলেও তার প্রভাবে সার্বিকভাবে এশিয়ার অর্থনীতি কখনও সংকুচিত হয়নি। সংস্থাটি বলছে। চলতি ২০২০ সালে সার্বিকভাবে এশিয়ার মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কোন প্রবৃদ্ধি তো হবেই না, বরং তা উল্টো সংকুচিত হবে। আর এই সংকোচনের হার হবে ১ দশমিক ৬ শতাংশ। বলা হয় একটি দেশের বর্তমান ও সম্ভাব্য অর্থনীতির চিত্র ফুটে ওঠে শেয়ারবাজারে। বছরের শুরুতে বৈশ্বিক শেয়ারবাজার সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকলেও গত ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও) কর্তৃক করোনাভাইরাসকে বিশ্বব্যাপী ছড়ানো মহামারী ঘোষণার পূর্বেই বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে শুরু হয় ব্যাপক (রেকর্ড পরিমাণ) দরপতন। করোনাভাইরাসের প্রকোপে বিশ্ব অর্থনীতি টালমাটাল হলেও আমেরিকাসহ বেশ কয়েকটি উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের শেয়ারবাজার বেশ চাঙা। বছরের শুরুতে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক, ৩৩০০ পয়েন্ট থেকে পতন হয়ে ২৩ মার্চ ২২৩৭ পয়েন্টে নেমে আসে। এই সূচকটি এখন ২৭ জুলাই ৩২৩৯ পয়েন্ট। এত অল্প সময়ে মার্কিন শেয়ারবাজার যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ইতিহাসে এত বড় প্রত্যাবর্তনের নজির আর দেখা যায় না। আমেরিকার শেয়ারবাজারের এই চাঙা ভাবকে কেউ কেউ ব্যতিক্রম ঘটনা বলতে পারেন, কিন্তু এপ্রিলের শেষের ভাগ থেকে ইউরোপীয় ও জাপানি শেয়ারবাজারও ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। এশিয়ার অন্যতম বড় শেয়ারবাজার জাপানের নিক্কি ২২৫ ইন্ডেক্স। এ বছর ২২ জানুয়ারি ২৪০৩১ পয়েন্ট থেকে করোনার প্রভাবে ১৯ মার্চ ১৬৫৫২ পয়েন্টে নেমে আসে। কিন্তু করোনার এ ভয়াবহতার মধ্যেও সূচক বৃদ্ধি পেয়ে ২৭ জুলাই ২২৭১৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তান বিভিন্ন সূচকে আমাদের থেকে পিছিয়ে থাকা সত্ত্বেও তাদের প্রধান সূচক কেএসই ১০০ ইন্ডেক্স ৬ জানুয়ারি ৪৩৪৬৮ পয়েন্ট থেকে নেমে ২৩ মার্চ ২৭০৪৬ পয়েন্টে আসে। এই সূচকটিও বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গত তিন চার মাসের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ২৭ জুলাই ৩৮২২১ পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে। মাত্র কয়েক বছর আগেও ভারতের প্রবৃদ্ধির গতি সন্দেহাতীতভাবে ঊর্ধ্বমুখী ছিল। কিন্তু এখন দেশের মন্দামুখী অর্থনীতি বিশেষজ্ঞদের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৪৫ বছরের মধ্যে বেকারত্বের হার সবচেয়ে বেশি। ধুঁকছে অটোমোবাইল, পোশাক ও নির্মাণ শিল্প। নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার ক্রমাগত সংকুচিত হচ্ছে। ১৯৯১-এর পর আর্থিক প্রবৃদ্ধির গতি গত কয়েক বছর ধরেই সবচেয়ে ধীর বা তলানীতে। অর্থনীতি এক প্রকার বিপর্যস্ত। কিন্তু এর মধ্যেও শেয়ারবাজারের গতি ঊর্ধ্বমুখী হয়ে এ বছরের ২০ জানুয়ারি বিএসই সেনসেক্স ৩০ ইন্ডেক্সের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চূড়া ৪২২৭৩ পয়েন্টে পৌঁছায়। অতি স্বল্প সময়ের ব্যবধানে করোনাভাইরাসের প্রভাবে সূচকটি রেকর্ড পরিমাণ পতন হয়ে ২৪ মার্চ ২৫৬৩৮ পয়েন্টে নেমে আসে। এই পতনের হার ছিল প্রায় ৪০ শতাংশ। দেশটি বিশ্বে করোনায় আক্রান্তে শীর্ষ তৃতীয় অবস্থান করলেও বিশ্বের অন্যান্য শেয়ারবাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফের ঘুরে দাঁড়ালো, যা এখন ২৭ জুলাই ৩৭৯১৮ পয়েন্ট।

কদিন আগে ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, করোনাভাইরাস বিশ্ব অর্থনীতিতে ২ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের লোকসান ঘটাবে। সম্প্রতি বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক বেশ কিছু দৃশ্যপট তুলে ধরেছেন। তারা বলেছেন, পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হলে ২০২০ ও ২০২১ সালে বিশ্ব অর্থনীতি থেকে হারিয়ে যাবে ২১.৮ ট্রিলিয়ন ডলার। আর সবচেয়ে ভালো হলে হারাবে ১৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলার। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে বিশ্ব কত বড় আশঙ্কা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আবার বৈশ্বিক শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়ানো এটাই প্রমাণ করে বিশ্ববাসী শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশের অর্থনীতিতে আশার আলো জাগিয়ে রেখেছে।

একটি দেশের অর্থনীতির স্বাস্থ্য বা অবস্থা নির্ণয়ের প্রধান নির্দেশিকাগুলোর অন্যতম হলো জিডিপি বা মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সেন্টার ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ (সিইবিআর) প্রকাশিত তথ্যমতে, গত এক দশকে বাংলাদেশের মোট দেশজ আয় (জিডিপি) গড়ে ৬.০৩ শতাংশ হারে বেড়েছে। সিইবিআরের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ সূচক (ডব্লিউইএলটি) অনুযায়ী, আকারের দিক থেকে ২০১৯ সালে বিশ্বে ১৯৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৪১তম। ২০২৩ সালে তা ছাড়াবে ৩৬ তম। আর ২৪তম অবস্থানে পৌঁছাবে ২০৩৩ সাল নাগাদ। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সারা বিশ্ব যখন বিপর্যস্ত এমনি এক প্রেক্ষাপটে দেশের অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সেটাই স্বাভাবিক। তবে কতটা পড়বে তা নিয়ে চলছে হিসাব-নিকাশ। করোনাভাইরাসের শুরুতে গত (২০১৯-২০) অর্থবছরে বিশ্বব্যাংক বলেছিল বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ২-৩ শতাংশ। পরবর্তীতে তা আরও কমিয়ে বলেছে ১.৬ শতাংশ, এডিবি ৪.৫ শতাংশ, আইএমএফ ৩.৮ শতাংশ, ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ১.৬ শতাংশ, সিপিডি বলেছে ২.৫ শতাংশ। সরকার প্রাক্কলন করেছে ৫.২ শতাংশ। বড় বড় আন্তর্জাতিক সংস্থার এ পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়। বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে বাংলাদেশ অবশ্য এখনও তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে। আর এই (২০২০-২১) অর্থবছরে সরকারের প্রক্ষেপণ ৮.২ শতাংশ। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) তারাও কিছুটা আশার কথা শোনাল। তারা বলেছে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারে। ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৭.৫ শতাংশ। এবার দেখা যাক বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের চিত্র পট। গত ১১ বছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের আকার তিনগুণ বেড়েছে। অথচ এই ১০ বছর ধরেই শেয়ারবাজার উল্টো হাটছে। যা এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ২০১৯ সালের শুরুতে নতুন সরকার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা বাড়ে। ফলে ২৪ জানুয়ারি ডিএসই প্রধান সূচক পৌঁছায় ৫৯৫০ পয়েন্টে। সেই উত্থান বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। বছরজুড়ে টানা পতনে সূচক নেমে আসে প্রায় ৪০০০ পয়েন্টে। বৈশ্বিক শেয়ারবাজার করোনার প্রভাবে সূচক যখন ৩০/৩৫ শতাংশ ওঠা-নামায় রেকর্ড হয়, তখন আমাদের ডিএসই ব্রড ইন্ডেক্স শুধু ২০১৯ সালেই সর্বনি¤œস্তর থেকে ওঠা-নামায় পরিবর্তন হয় ৩৫.৫৩ শতাংশ। ২০১৩ সালে ২৮ জানুয়ারি সূচকটি চালু হয়, দিন শেষে সূচক ছিল ৪০৯০ পয়েন্ট। সূচকটির চালুর বছর থেকে ২০১৯। এই সাত বছর, প্রতি বছর গড়ে সূচকটি ২৫.৯০ শতাংশ ওঠা-নামা করে, ৮ম বছর সূচকটি ইহার সূচনা লগ্নের নিচে নেমে এসেছে। সুতরাং সূচকের এই উত্থান-পতন আমাদের শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক চিত্রে পরিণত হয়েছে।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার পরে, মার্চের মাঝামাঝি সময়ে দেশের করোনা পরিস্থিতির অবনতি হতে শুরু করে। তাই শেয়ারবাজারে শুরু হয় অস্বাভাবিক পতন। ১৮ মার্চ সূচক নেমে আসে ৩৬০৩ পয়েন্টে। কারণ, আমরা এমন এক শ্রেণীর বাঙালি যারা যে কোন অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সদ্ব্যবহার করায় দক্ষ। আর এই পতন ঠেকাতে গত ১৯ মার্চ থেকে সর্বনিম্ন মূল্যস্তর (ফ্লোর প্রাইস) বেঁধে দেয়া হয় এবং লেনদেনের সময়ও এক ঘণ্টা করে কমিয়ে দেয়া হয়। করোনার কারণে সরকার ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলে শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ রাখা হয়, যা শেয়ারবাজারের ইতিহাসে এই প্রথম। ৬৬ দিন টানা বন্ধের পর ৩১ মে আবার চালু হয়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেন। শেয়ারের সর্বনিম্ন মূল্যস্তর বেঁধে দিয়ে সূচকের পতন আটকে রাখা হয়েছে ঠিকই। তবে লেনদেন ফিরে গেছে এক যুগ আগে। লক্ষণীয় বিষয় হলো সূচক কিংবা লেনদেন, দেশের অর্থনীতি বিবেচনায় উল্টো যাত্রার শুরু সেই ২০১২/১৩ সাল থেকে, এখনও তা অব্যাহত। কখনও সূচক, আবার কখনও লেনদেন ফিরে যাচ্ছে বিদায়ী বছরগুলোতে। উত্থানের নতুন রেকর্ড বাদ দিয়ে তাই খুঁজতে হয় সর্বনি¤েœর রেকর্ড, পেছনের বছরের পাতায়। ১৮৭০ সাল থেকে ২০২০ এই দেড়শ’ বছরে এবারেরটা নিয়ে ১৪টি মন্দা দেখল বিশ্ব অর্থনীতি। আবার মন্দা থেকে বুদ্ধি ও কৌশলে ঘুরেও দাঁড়িয়েছে বিশ্ব। চটজলদি না হলেও সামাজিক পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নতুন নতুন কর্মপরিকল্পনায় ঘুরে দাঁড়াবে বিশ্ব অর্থনীতি সঙ্গে বাংলাদেশও, কিন্তু আমাদের শেয়ারবাজারে যে সমন্বয়হীনতা, সিদ্ধান্তহীনতা ও অদক্ষতা বিরাজ করছে তার কী হবে সে প্রশ্ন থেকেই যায়। শেয়ারবাজার বিশ্লেষকেরা বারবারই বলে থাকেন, এবাজারের মূল সংকট আসলে আস্থার। সেই আস্থায় চিড় ধরিয়েছেন বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা, সরকারের নীতিনির্ধারক ও স্টক এক্সচেঞ্জের নেতৃত্বে যারা আছেন সবাই মিলে। শেয়ারবাজার আজ দুর্নীতি ও লুটপাটের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। তাদের ব্যর্থতায় বারবার এ বাজারে এসে প্রতারিত হয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। নিয়ন্ত্রক সংস্থা, সরকারের কর্তাব্যক্তিদের আশ্বাসে আস্থা রেখে নিঃস্ব হয়েছেন লাখ লাখ বিনিয়োগকারী। ২০১০ সালে ধসের পর থেকেই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস নেই, এটাই বাস্তব। তবে বিনিয়োগকারীরা কি কখনও ভেবে দেখেছেন। যে গুটি কয়েক বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ারের মূল্য হ্রাস পেয়ে সূচকের এই অবস্থা। যদি বিনিয়োগকারীরা প্রতি বছর শেয়ারবাজারে আস্থা-আত্মবিশ্বাস না খুঁজে ওই শেয়ারে নিজেদের বিশ্লেষণী জ্ঞান দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করত, তাহলে এখন তাদের আস্থা এমনিতেই বেড়ে যেত। মনে রাখতে হবে ‘আত্মবিশ্বাস’ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সঠিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তৈরি হয়। করোনাভাইরাস থেকে একদিন হয়তো আমাদের অর্থনীতি মুক্ত হবে, কিন্তু ভয়াবহ গুজবের ভাইরাসে যে শেয়ারবাজার আক্রান্ত সেখান থেকে মুক্তি লাভের উপায় কী সহজে মিলবে ?

[লেখক : পুঁজিবাজার বিশ্লেষক]

monirulislammi888@gmail.com

প্রবাসীদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব

বাংলদেশের অর্থনীতি অনেকটা নির্ভর করে রেমিটেন্সের ওপর। প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ বাংলাদেশ থেকে অন্য দেশে কাজের খোঁজে

জরিপে বাইডেন এগিয়ে, হয়তো জিতবেন ট্রাম্প?

image

চলতে ফিরতে দেখি, দেখে না প্রশাসন

মহাসড়কের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে বসেছিলেন ফজলুল হক। বয়সের তুলনায় দেহটি ভারি। দেখলে যে কারও মনে হবে তিনি নানা

আদর্শবাদী নেতার প্রতিরূপ আমিনুল ইসলাম বাদশা

image

পরিচ্ছন্নতাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে

ঈদুল আজহার অন্যতম অনুষঙ্গ হলো পশু কোরবানি। সারা দেশে লাখ লাখ পশু কোরবানি দেয়া হয় এই ঈদে। কিন্তু সচেতনতা ও সঠিক

রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই মুক্তিযোদ্ধার দাফন

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধরা আজ বর্তমান আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পদে পদে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ‘জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান’

স্বাস্থ্যে রদবদল : মন্ত্রী-মন্ত্রণালয় ধোয়া তুলসী পাতা?

গোটা স্বাস্থ্য-ব্যবস্থা, চিকিৎসা-ব্যবস্থা, হাসপাতাল-ব্যবস্থাপনা, বিনা চিকিৎসায়, আধা

কীভাবে শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর

২৪ ডিসেম্বর ১৯৯৯ গাজীপুরের ছায়াবিথীতে ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী কর্র্তৃক উদ্বোধন করা আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের দুই দশক পূর্ণ

সরকার কি করোনা মোকাবিলায় হাল ছেড়ে দিয়েছে

দেশে কয়েকদিন ধরে করোনা রোগী শনাক্তের সংখ্যা ক্রমাগতই কমছে। ২ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ১৯ জন রোগী শনাক্তের