ডিজিটাল বিপ্লবীদের দেশে

মোস্তাফা জব্বার

২০১৯ সালের বিশ্ব মোবাইল কংগ্রেসে ৮ নাম্বার হলে আমাদের এক টুকরো বাংলাদেশ দেখতে রিভ সিস্টেম দেখতে যাবার পথে হঠাৎ একটি বাক্য দেখে চোখ আটকে গিয়েছিল। বাক্যটির বাংলা অর্থ হচ্ছে কাতালুনিয়া : ডিজিটাল বিপ্লবীদের দেশ। এর আগে আর কোথাও বা কখনও ডিজিটাল বিপ্লবী শব্দ দুটি দেখিনি বা শুনিনি। যৌবনকাল থেকে বিপ্লবী শব্দটির সঙ্গে আমি বেশ পরিচিত। বলতে পারেন পছন্দেরও শব্দ। এক সময়ে যারা মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ-মাও সেতুং এর চিন্তাধারায় ভাবতেন, যারা হো চি মিন বা চে গুয়েভারাকে নায়ক মনে করতেন কিংবা রেজিস দেবরের বই পড়তেন, তারা কখনও কখনও বিপ্লবী নামে অভিহিত হতেন। সেই বিপ্লব মানে ছিল সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা, পুঁজিবাদের পতন ঘটানো বা সাম্যবাদের জন্য লড়াই করা। কার্লমার্ক্সের তত্ত্ব নিয়ে এর বিস্তৃতি ঘটেছিল। প্রথম ও দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবে মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ বা মাও সেতুং এর চিন্তাভাবনাকে বিশ্বজুড়ে বিপ্লব বলে আখ্যা দেয়া হতো। রাশিয়ায় সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে লেনিন বিপ্লবের প্রথম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। এর পরের দৃষ্টান্ত চীনের এবং মাও সেতুং সেই বিপ্লবের নায়ক। সেই সূত্রে বিপ্লব মানে বিদ্রোহ, গেরিলা যুদ্ধ, আমূল পরিবর্তন, বিচ্ছিন্নতাবাদী বা স্বাধীনতার আন্দোলন। কাতালুনিয়া বিচ্ছিন্নতাবাদী বা স্বাধীনতার আন্দোলন করছে বিধায় তাদের সাধারণ অর্থে বিপ্লবী বলাই যায়। সচরাচর ক্ষমতাসীন সরকার বিচ্ছিন্নতাবাদী বা স্বাধীনতাকামী বিপ্লবকে দমন করে থাকে। বিশ্বজড়ে এইসব দৃষ্টান্তের কমতি নাই। তবে কাতালুনিয়ায় ওরা যে বিপ্লবের স্লোগান দিয়েছে সেটিকে প্রচলিত ধারার বিপ্লবের মতো ব্যাখ্যা করা যাবে না। কারণ ওরা ডিজিটাল বিপ্লবের কথা বলছে। তাদের কোন কার্ল মার্ক্স, লেনিন, মাও সেতু বা হোচি মিন নেই। তাদের নাই সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কিন্তু মোবাইল বিশ্ব কংগ্রেস তাদের এটি বোঝাতে পেরেছে যে দুনিয়ায় অন্যরকম একটা বিপ্লব সংঘটিত হয়ে যাচ্ছে। সেই বিপ্লব সমাজতন্ত্রের না হলেও এটি অবশ্যই যে প্রযুক্তির এ বিপ্লব একটি আমূল পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। ঘটতে যাচ্ছে সভ্যতার নির্মাণ এবং বদলে যেতে চলেছে জীবনধারা।

মানবসভ্যতার বিকাশে মার্ক্সবাদের মূল লক্ষ্যকে সামনে রাখলে এটি ভাবা একদমই বেঠিক হবে না যে সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠা, জনগণের জীবনমান উন্নত করা, দারিদ্র্য দূর করা বা সমতা আনার কাজটি করার জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ডিজিটাল বিপ্লবীরা দুনিয়াটাকে বদলাতেই পারে। আমি নিজে সমতায় বিশ্বাস করি। যদিও এটি মনে করি যে মার্ক্সকে এ যুগের বিপ্লবী তত্ত্বের গুরু মনে করা যাবে না। মার্ক্স এর সমাজতন্ত্র সরাসরি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপযোগী নয় বরং মার্ক্স প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরের শিল্প বিপ্লবের জন্য লাগসই ছিল। বরং বলা যায় সমতার ধারণাটিকে বাস্তবে প্রয়োগ করতে হলে মার্ক্সের সমাজতন্ত্র, তার আগের বিশ্ব, শিল্প বিপ্লব ও তার চতুর্থ স্তরকে অনুধাবন করতে হবে। অবশ্য আমি কোনভাবেই এটি মনে করি না যে প্রচলিত ধারার সমাজতন্ত্র বা তার প্রতিষ্ঠা কাতালুনিয়ার বিপ্লবীদের মূল ধারণা। বরং তারা ডিজিটাল বিপ্লব বলতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব সংঘটনের কথাই বলছে। নিজেদের ডিজিটাল বিপ্লবের সৈনিক ভাবতে পারাটা গৌরবেরই মনে হতে পারে। মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস বাছাই করে কাতালুনিয়া অবশ্যই একটি সঠিক কাজ করেছে।

এবারই প্রথম কাতালুনিয়া নিজেকে ডিজিটাল বিপ্লবীদের দেশ হিসেবে অভিধা প্রদান করল। শব্দটি আমার পছন্দ হয়েছে। ইউরোপের অতি সুন্দর দেশ স্পেনের একটি প্রদেশের নাম কাতালুনিয়া। বাংলাদেশের প্রায় হাজার ১৫ মানুষ থাকে কাতালুনিয়াতে। স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদেও আছে হাজার দশেক বাঙালি। তবে মাদ্রিদ নয়, কাতালুনিয়া প্রদেশের রাজধানী বার্সিলোনা এখন বিশ্বের মোবাইল প্রযুক্তি প্রদর্শনের কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে। সারা বিশ্ব অবশ্য বার্সেলোনা ফুটবল ক্লাব বা লিওনেল মেসির জন্য শহরটিকে বেশি চেনে। স্পেনের সবচেয়ে সমৃদ্ধ এ প্রদেশটি আবার বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের জন্যও বিশ্বের কাছে কিছুটা পরিচিত। তবে আমার নিজের হিসেবে সব কিছু ছাপিয়ে দেশটি এখন ডিজিটাল বিপ্লবের জন্যই বেশি পরিচিত। গত প্রায় এক যুগ ধরে মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস নামক একটি প্রদর্শনীর আয়োজন হয়ে থাকে এই শহরটাতে। চার দিনের এই আয়োজনে সারা দুনিয়া থেকে প্রায় তিন লাখ মানুষ এতে অংশ নেয়। বিশ্বের এমন কোন প্রখ্যাত ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নেই যারা এখানে তাদের সর্বশেষ পণ্য প্রদর্শন করে না। ৮০-৯০টি দেশের প্রযুক্তিমন্ত্রীরা, শত শত মোবাইল অপারেটর, নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ বিশ্বের সব প্রান্তের মানুষ এতে যোগ দিয়ে থাকেন।

আমি এ আয়োজনের সাক্ষী হচ্ছি ২০১৮ সাল থেকে। দুইবার অংশগ্রহণেই আমার কাছে এটি মনে হয়েছে যে, স্পেনের বিদ্রোহী প্রদেশ বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের বিপ্লবী না হয়ে ডিজিটাল বিপ্লবী হতে পারাটা একটি অসাধারণ ভাবনা। বিদ্যমান অবস্থাতে এ কথাটি সহজেই বলা যায় যে দুনিয়ার কেউ চাইল বা না চাইল ডিজিটাল বিপ্লবী তাকে হতে হবেই। বাংলাদেশকে তো হতেই হবে- কারণ সারা বিশ্বকে ডিজিটাল বিপ্লবের প্রথম বাণী শুনিয়েছে বাংলাদেশ। দুনিয়ার আর কার জন্য কিÑ তা না বললেও একটি কৃষিভিত্তিক দেশকে ডিজিটাল বিপ্লবে নেতৃত্ব দিতে গেলে সব বাঙালিকেই ডিজিটাল বিপ্লবী হতেই হবে। শুধু কাতালুনিয়া নয় সারা বিশ্বের ডিজিটাল বিপ্লবীদের কিছু কথা তুলে ধরার জন্য এই নিবন্ধটি লেখার আয়োজন করা হচ্ছে।

এক সময়ে আকাশভ্রমণ আমার নেশা ছিল। ট্রাভেল এজেন্সি হওয়ার সুবাদে সারা দুনিয়া ঘোরার ফ্রি টিকিট পেতাম-ঘুরতামও সেই তালেই। কিন্তু ট্রাভেল ব্যবসা ছেড়ে কম্পিউটারের ব্যবসায় এসে দেশ বিদেশ ঘোরার নেশাটা উধাও হয়ে গেছে। আশে পাশে ছোট খাটো ভ্রমণ করলেও লম্বা ফ্লাইটের নাম শুনলেই আমি পিছুটান দিই। আগেও এমনটাই করতাম। ৯৭ সালে আমেরিকা গেলাম। ২০০৯ সালে বিসিএসের সভাপতি হিসেবে কোরিয়া গেলাম একবার। ব্যবসার কাজে কোরিয়ায় অবশ্য এর আগে ৯০ দশকে আরও একবার গিয়েছিলাম। ব্রিটেনে গেছি তখন, যখন ইউরোপের অন্য দেশেও গেছি। সৌদি আরব ছাড়া আফ্রিকা মহাদেশে যাইইনি। এবার দক্ষিণ আফ্রিকা যাবার কথা ছিল। কিন্তু স্ত্রীর অসুস্থতার জন্য যেতে পারিনি। ফিলিপাইন গেছি একবার। অস্ট্রেলিয়া যাবার আমন্ত্রণ গ্রহণই করিনি। ভারত, থাইল্যান্ড, হংকং, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ এসব দেশেই বেশি ঘোরাফেরা করেছি। ৭৫ সালে জীবনের দ্বিতীয় পেশা হিসেবে ট্রাভেল এজেন্সিকে বেছে নিয়েছিলাম তখনই আকাশযাত্রার একটি বাড়তি আকর্ষণ ছিল। কিন্তু দিনে দিনে সেটি হারিয়ে গেছে। এখন আকাশে উড়তে ইচ্ছাই হয় না। দেশের ভেতরেও একটু বেশি সময় লাগলেও সম্ভাব্য ক্ষেত্রে আমি আকাশপথ এড়িয়ে সড়ক বা রেলপথে চলি। স্মরণ করতে পারি রেলপথের দীর্ঘ যাত্রাটি সম্ভবত জার্মানিতে। ৭৯ সালে একবার মিউনিক থেকে ফ্রাঙ্কফুর্ট এসেছিলাম। ২০০৫ সালে সিবিট মেলায় অংশ নিতে ফ্রাঙ্কফুর্ট হয়ে ট্রেনে হ্যানোভার গিয়েছিলাম। হ্যানোভার থেকে প্লেনে না এসে বাসে এসেছিলাম ব্রিটেন। সেই ৭৯ সালেও ফ্রাংকফুর্ট থেকে মিউনিক গিয়েছিলাম গাড়িতে। ৭৯ সালে সড়কপথে ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে মিউনিক ভ্রমণ করেছিলাম। ১৮ সালেই রাষ্ট্রীয় কাজে একবার জাপানও গিয়েছিলাম। এক বছরে এমন দুটি লম্বা সফর এর আগের খুব সাম্প্রতিককালে আমি করিনি। ১৮ সালের অভিজ্ঞতায় এবারতো নিজেই উদ্যোগী হয়ে মোবাইল বিশ্ব কংগ্রেসে যোগ দিয়ে ফিরলাম। আশা করি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় তথ্যসমাজ সামিটে যোগ দেব এবং হয়তো জাপান আইটি উইকেও যাবো। চীনে যাবার সম্ভাবনাও আছে। এ ভ্রমণগুলো আর যাই হোক নিজের সরকারি দায়িত্ব পালন করতে সহায়তা করে।

১৮ সালে যখন প্রথমবারের মতো মোবাইল বিশ্ব কংগ্রেসে যোগ দেবার আমন্ত্রণ এসেছিল তখন আমার জন্য এটি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছিল যে মন্ত্রী হিসেবে সেখানে উপস্থিত থাকতেই হবে। কিন্তু দীর্ঘ প্লেন ভ্রমণের জন্য আমি যেতে আগ্রহী ছিলাম না। এমটবের নুরুল কবির সহ আমার দফতরের সবাই মিলে আমাকে সম্মত করাতে পারল যে এতে যোগ দেয়া খুবই প্রয়োজনীয়। এমনকি এটিও বলা হলো যে, আমি যদি এই বিশ্বসভায় যোগ না দিই তবে রাষ্ট্রীয় ক্ষতি হবে। বিশেষ করে আইটিইউ নাম সংস্থায় বাংলাদেশের যে বিদ্যমান ভূমিকা আছে সেটি ক্ষতির মুখে পড়বে।

এখন আমি এটি বিশ্বাস করি যে ১৮ সালে মোবাইল বিশ্ব কংগ্রেসে যোগ না দিলে রাষ্ট্রের ক্ষতি না হলেও আমি নিজে ক্ষতিগ্রস্ত হতাম। নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি যে, সেই ভ্রমণটি না করলে এখন আফসোস করতাম। যেসব বিষয় নিয়ে আজকাল কথা বলতে হয় তার নতুন মাত্রা পেয়েছিলাম ১৮ সালে বার্সিলোনায় মোবাইল বিশ্ব কংগ্রেসে যোগ দিয়ে। সেবার সুযোগ হয়েছিল মন্ত্রীদের অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকার। ঘর ভরা বিশ্বজনদের সামনে কথা বলে প্রশংসাও পেয়েছিলাম। বাংলাদেশ দূতাবাসের নাভিদের কথা মনে রাখার মতো। বিটিআরসির তৎকালীন চেয়ারম্যান ড. শাজাহান মাহমুদ এবং এমটবের তৎকালীন মহাসচিব নুরুল কবিরের কথাও মনে রাখতে হবে। অনেকগুলো সেমিনারে যোগ দেয়া ছাড়াও ডজন খানেকের বেশি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে নানা প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা করেছি বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার। জিএসএমএ, ফেসবুক, মোবাইল অপারেটরসমূহ, ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানসমূহ ছাড়াও মেলা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। সেবারই প্রথম সারা দুনিয়াকে বড় ধরনের একটি ঝাঁকুনি দিয়েছিল ৫জি মোবাইল প্রযুক্তি। দেশে ফিরে এসে ২৫ জুলাই ১৮ ৫জি সামিট করেছিলাম। তারই সূত্র ধরে এবার আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ২১-২৩ সালে ৫জি চালু করার ঘোষণা আসে। সঙ্গত কারণেই এবারের বিশ্ব মোবাইল কংগ্রেসে যোগ দিতে আমি নিজেই আগ্রহ প্রকাশ করি। ঢাকা থেকেই স্থির করা হয়েছিল বার্সিলোনার বিভিন্ন কর্মকান্ডের বিস্তারিত বিবরণ। যদিও শুধু মিনিস্টারস কনফারেন্সে ১০ মিনিটের একটি কী নোট উপস্থাপনাই আমার নির্ধারিত প্রধান কাজ ছিল তথাপি সরকারি-বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের প্রোগ্রামও ছিল। এসব বৈঠকের অন্যতম কারণ ছিল আমার মন্ত্রণালয়বিষয়ক বহুবিধ সমস্যার সমাধানের উপায় বের করা। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে নিরাপদ করা ছাড়াও ৫জি যথাসময়ে প্রচলনের ব্যবস্থা করার বিষয়গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

ঢাকা, ২৯ জুলাই ১৮, সর্বশেষ আপডেট ১৫ এপ্রিল ১৯।

[লেখক : তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, কলামিস্ট, দেশের প্রথম ডিজিটাল নিউজ সার্ভিস আবাসের চেয়ারম্যান- সাংবাদিক, বিজয় কিবোর্ড ও সফটওয়্যারের জনক]

দৈনিক সংবাদ : ১৭ এপ্রিল ২০১৯, বুধবার, ৬ এর পাতায় প্রকাশিত

নাটকের নাম ‘আমি’

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সাহিত্য অঙ্গনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বিকশিত শিল্প হচ্ছে নাটক। টিকিট করে নাটক দেখা শুরু হয় স্বাধীনতা

অনেক নাটকীয়তার পরে অবশেষে শপথ

রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশকিছু ওলোট-পালটের ঘটনা ঘটছে। শিগগিরই আরও কিছু ঘটবে বলে মনে হচ্ছে। মারাত্মকভাবে হতাশায় নিমজ্জিত দলগুলোতেই

প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে হবে

image

বিধ্বংসী আত্মঘাতী বোমা

ইস্টার সানডেতে শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা, তিনটি অভিজাত হোটেল ও দুটি জনবহুল স্থানে সিরিজ বোমা হামলায় এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে

হতাশায় নিমজ্জিত সরকারবিরোধী দল এ অবস্থা চিরস্থায়ী হতে পারে না

রাজনীতির সঙ্গেই ‘উত্থান-পতন’ শব্দটা জড়িত। একটার থেকে অন্যটা আলাদা করা যায় না। রাজনীতিকদের জীবনেও

দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজন জাতীয় বিল্ডিং কোডের যথাযথ বাস্তবায়ন

অগ্নিদুর্ঘটনা পিছু ছাড়ছে না রাজধানী ঢাকার। মাত্র ৩৭ দিনের ব্যবধানে রাজধানী ঢাকায় ঘটল আরেকটি বিভীষিকাময় আগ্নিকান্ড। গত ২০

রাজনীতিকে নোংরামির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার দক্ষ এ দুই খেলোয়াড়

রাজনীতিতে সর্বকালেই দুষ্টু গ্রহণের আবির্ভাব হয়েছে। তারা রাজনীতির মতো সুন্দর ও সম্ভাবনাময় অঙ্গনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, নোংরা করেছে।

গড়ে তুলুন ডিজিটাল স্কুল

image

আগুন আগুন

ত্রিশ-চল্লিশ বছর পূর্বে গ্রামের কোথাও আগুন লাগলে আমরা ‘আগুন আগুন’ বলে চিৎকার করতাম; এ চিৎকার শুনে সবাই দৌড়ে এসে